পাবনার বেড়া পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৭ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরের মায়িশা খানের উপস্থিতিতে জব্দ করা এসব অবৈধ জাল ধ্বংস করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বেড়া পৌর এলাকার নাজিম বাজারের মোল্লা সুপার মার্কেটের কয়েকটি গোডাউনে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল মজুদের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের প্রথম ধাপে মার্কেটের তিনটি গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৩০০টি চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়। এ সময় সন্দেহভাজন আরও দুটি গোডাউন সিলগালা করে দেয় অভিযানকারী দল।
পরবর্তীতে সিলগালা করা ওই দুটি গোডাউনে পুনরায় অভিযান চালিয়ে আরও ৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। দুই দফা অভিযানে উদ্ধার হওয়া সব জালের মোট মূল্য প্রায় ১৭ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
পরে মঙ্গলবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরের মায়িশা খানের নেতৃত্বে উদ্ধার করা সব নিষিদ্ধ জাল আনুষ্ঠানিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরের মায়িশা খান বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
পাবনার বেড়া পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৭ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরের মায়িশা খানের উপস্থিতিতে জব্দ করা এসব অবৈধ জাল ধ্বংস করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বেড়া পৌর এলাকার নাজিম বাজারের মোল্লা সুপার মার্কেটের কয়েকটি গোডাউনে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল মজুদের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের প্রথম ধাপে মার্কেটের তিনটি গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৩০০টি চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়। এ সময় সন্দেহভাজন আরও দুটি গোডাউন সিলগালা করে দেয় অভিযানকারী দল।
পরবর্তীতে সিলগালা করা ওই দুটি গোডাউনে পুনরায় অভিযান চালিয়ে আরও ৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। দুই দফা অভিযানে উদ্ধার হওয়া সব জালের মোট মূল্য প্রায় ১৭ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
পরে মঙ্গলবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরের মায়িশা খানের নেতৃত্বে উদ্ধার করা সব নিষিদ্ধ জাল আনুষ্ঠানিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরের মায়িশা খান বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
