ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দিনে-রাতে বারবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে অসংখ্যবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীরা কষ্টে দিন পার করছেন। একই সঙ্গে দোকানপাট, ক্ষুদ্র শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, সামনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা থাকলেও নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। সন্ধ্যার পর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই মোমবাতি বা চার্জলাইটের আলোয় পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছে, যা তাদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এমন বিদ্যুৎ সংকট চললেও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমরা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করছি, কিন্তু প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দিনের পর দিন এই ভোগান্তি চললেও আমাদের সমস্যার যথাযথ সমাধান হচ্ছে না।”
আরেকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, “সামনে পরীক্ষা, কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানরা ঠিকমতো পড়তে পারছে না। এভাবে চলতে থাকলে তাদের ফলাফলেও প্রভাব পড়বে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা বিদ্যুৎ সংকটের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা কামনা করেছেন তারা।

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দিনে-রাতে বারবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে অসংখ্যবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীরা কষ্টে দিন পার করছেন। একই সঙ্গে দোকানপাট, ক্ষুদ্র শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, সামনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা থাকলেও নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। সন্ধ্যার পর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই মোমবাতি বা চার্জলাইটের আলোয় পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছে, যা তাদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এমন বিদ্যুৎ সংকট চললেও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমরা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করছি, কিন্তু প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দিনের পর দিন এই ভোগান্তি চললেও আমাদের সমস্যার যথাযথ সমাধান হচ্ছে না।”
আরেকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, “সামনে পরীক্ষা, কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানরা ঠিকমতো পড়তে পারছে না। এভাবে চলতে থাকলে তাদের ফলাফলেও প্রভাব পড়বে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা বিদ্যুৎ সংকটের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা কামনা করেছেন তারা।
