মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

খেলা

প্রতিশ্রুত অর্থ এখনো পায়নি তারা

বিশ্বকাপ শেষে ফিফার কাছে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার দাবি

বিশ্বকাপ শেষে ফিফার কাছে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার দাবি
বিশ্বকাপ ট্রফি। ছবি : গেটি ইমেজ

বিশ্বকাপ আয়োজন শেষ হলেও ফিফার প্রতিশ্রুত অর্থ এখনো পায়নি যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি আয়োজক শহর। প্রতিটি শহরকে ১০ লাখ ডলার করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা। সেই হিসাবে ফিফার কাছে মোট ১ কোটি ১০ লাখ ডলার দাবি করছে শহরগুলো।

দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিশ্রুত অর্থের বিষয়ে জানতে ইতোমধ্যে কয়েকটি শহরের আয়োজক কমিটি ফিফার কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। তবে অর্থ দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো জানায়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপের আগে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রতিটি আয়োজক শহরকে ১০ লাখ ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মাঠ উন্নয়ন ও সামাজিক প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য এই অর্থ দেওয়ার কথা ছিল।

এরপর ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলোও একই সুবিধা পাবে কি না, তা নিয়ে ফিফার কাছে জানতে চায় যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজক কমিটিগুলো। কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফিফার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন বৈঠকে অর্থ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

২০২৬ বিশ্বকাপের যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজক শহরগুলো হলো—সিয়াটল, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস, ডালাস, হিউস্টন, কানসাস সিটি, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া, নিউইয়র্ক-নিউজার্সি, মায়ামি ও বোস্টন।

আয়োজক শহরগুলোর কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নিরাপত্তা, পরিবহন, অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনায় বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয় হয়েছে। অন্যদিকে টিকিট, সম্প্রচারস্বত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতা থেকে পাওয়া আয়ের বড় অংশ নিয়েছে ফিফা।

কানসাস সিটির আয়োজক কমিটি সরকারি বিভিন্ন উৎস থেকে ৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলার পেয়েছিল। বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ আয়োজনের পাশাপাশি শহরটি অবকাঠামো ও নিরাপত্তা খাতে বড় ব্যয় করেছে।

এদিকে ফিফার ২০২৩-২৬ আর্থিক চক্রে রাজস্ব ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি হওয়ার পরও সামান্য পরিমাণ প্রতিশ্রুত অর্থ দিতে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আয়োজক শহরের কর্মকর্তারা।

বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলোর অর্থ না পাওয়ার অভিযোগ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

#বিশ্বকাপ২০২৬ #ফিফাবিশ্বকাপ #ফিফাবিতর্ক

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


বিশ্বকাপ শেষে ফিফার কাছে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিশ্বকাপ আয়োজন শেষ হলেও ফিফার প্রতিশ্রুত অর্থ এখনো পায়নি যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি আয়োজক শহর। প্রতিটি শহরকে ১০ লাখ ডলার করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা। সেই হিসাবে ফিফার কাছে মোট ১ কোটি ১০ লাখ ডলার দাবি করছে শহরগুলো।

দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিশ্রুত অর্থের বিষয়ে জানতে ইতোমধ্যে কয়েকটি শহরের আয়োজক কমিটি ফিফার কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। তবে অর্থ দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো জানায়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপের আগে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রতিটি আয়োজক শহরকে ১০ লাখ ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মাঠ উন্নয়ন ও সামাজিক প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য এই অর্থ দেওয়ার কথা ছিল।

এরপর ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলোও একই সুবিধা পাবে কি না, তা নিয়ে ফিফার কাছে জানতে চায় যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজক কমিটিগুলো। কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফিফার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন বৈঠকে অর্থ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

২০২৬ বিশ্বকাপের যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজক শহরগুলো হলো—সিয়াটল, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস, ডালাস, হিউস্টন, কানসাস সিটি, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া, নিউইয়র্ক-নিউজার্সি, মায়ামি ও বোস্টন।

আয়োজক শহরগুলোর কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নিরাপত্তা, পরিবহন, অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনায় বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয় হয়েছে। অন্যদিকে টিকিট, সম্প্রচারস্বত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতা থেকে পাওয়া আয়ের বড় অংশ নিয়েছে ফিফা।

কানসাস সিটির আয়োজক কমিটি সরকারি বিভিন্ন উৎস থেকে ৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলার পেয়েছিল। বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ আয়োজনের পাশাপাশি শহরটি অবকাঠামো ও নিরাপত্তা খাতে বড় ব্যয় করেছে।

এদিকে ফিফার ২০২৩-২৬ আর্থিক চক্রে রাজস্ব ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি হওয়ার পরও সামান্য পরিমাণ প্রতিশ্রুত অর্থ দিতে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আয়োজক শহরের কর্মকর্তারা।

বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলোর অর্থ না পাওয়ার অভিযোগ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত