গোপালগঞ্জ বিশ্বরোড সংলগ্ন চেচানিয়াকান্দি ব্রিজের কাছে ভয়াবহ ত্রিমুখী সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনায় বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, ঢাকা অভিমুখে চলাচলরত একটি ফাহাদ পরিবহনের বাসকে পেছন দিক থেকে সুন্দরবন পরিবহনের একটি বাস ওভারটেক করতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা খুলনাগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষের তীব্রতায় তিনটি যানবাহনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। পরে দুটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাকটি সড়কের ওপর দুমড়ে-মুচড়ে আটকে থাকায় ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে অংশ নেন। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হচ্ছে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হতাহতদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জ বিশ্বরোড সংলগ্ন চেচানিয়াকান্দি ব্রিজের কাছে ভয়াবহ ত্রিমুখী সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনায় বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, ঢাকা অভিমুখে চলাচলরত একটি ফাহাদ পরিবহনের বাসকে পেছন দিক থেকে সুন্দরবন পরিবহনের একটি বাস ওভারটেক করতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা খুলনাগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষের তীব্রতায় তিনটি যানবাহনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। পরে দুটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাকটি সড়কের ওপর দুমড়ে-মুচড়ে আটকে থাকায় ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে অংশ নেন। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হচ্ছে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হতাহতদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
