জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে তার সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
গত শনিবার (১১ জুলাই) রাতে 'Jamalpur Science & Technology University (JSTU) Family' নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।
পোস্টে জাহিদুল ইসলাম লিখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতে তিনি ছাত্রশিবির পরিচালিত একটি মেসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে অবস্থানকালে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততা তৈরি হয়। তবে ব্যক্তিগত কারণে তিনি সংগঠনের সঙ্গে সব ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিজেকে আপাতত সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক বলে ঘোষণা করেন।
তিনি আরও লেখেন, এ বিষয়ে কাউকে প্রশ্ন না করার অনুরোধ জানাচ্ছেন। পাশাপাশি আজকের পর থেকে তার কোনো ভালো বা মন্দ কাজের দায়ভার ছাত্রশিবির বহন করবে না এবং তিনিও সংগঠনের কোনো দায়িত্ব পালন করবেন না। পোস্টের শেষাংশে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “কাগজের খোলে পানি ঢাললে যেমন প্রকৃতির কোনো লাভ হয় না, আমারও হবে না। এতে কোনো সেবা সৃষ্টি হবে না, আমিও এখান থেকে কিছু গ্রহণ করতে পারব না। এখানে আমার, মানুষের এবং দেশের ভবিষ্যৎ নেই। দীর্ঘদিন ভেবেচিন্তেই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংগঠনের কিছু নীতিগত সমস্যা রয়েছে। সেসব আগে জানলে আমি শিবিরে যুক্ত হতাম না।”
তবে জাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ বলেন, আমি স্ট্যাটাসটি দেখিনি। সে আমাদের সমর্থক ছিল। তবে কর্মী হয়েছে কিনা জানিনা। বিভিন্ন চক্র ও সাধারণ সভায় অংশ নিত। তবে তার কোনো নির্দিষ্ট সাংগঠনিক দায়িত্ব ছিল না। পদত্যাগ তার ব্যক্তিগত বিষয়। এ বিষয়ে সে আমাদের কিছু জানায়নি।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে তার সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
গত শনিবার (১১ জুলাই) রাতে 'Jamalpur Science & Technology University (JSTU) Family' নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।
পোস্টে জাহিদুল ইসলাম লিখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতে তিনি ছাত্রশিবির পরিচালিত একটি মেসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে অবস্থানকালে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততা তৈরি হয়। তবে ব্যক্তিগত কারণে তিনি সংগঠনের সঙ্গে সব ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিজেকে আপাতত সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক বলে ঘোষণা করেন।
তিনি আরও লেখেন, এ বিষয়ে কাউকে প্রশ্ন না করার অনুরোধ জানাচ্ছেন। পাশাপাশি আজকের পর থেকে তার কোনো ভালো বা মন্দ কাজের দায়ভার ছাত্রশিবির বহন করবে না এবং তিনিও সংগঠনের কোনো দায়িত্ব পালন করবেন না। পোস্টের শেষাংশে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “কাগজের খোলে পানি ঢাললে যেমন প্রকৃতির কোনো লাভ হয় না, আমারও হবে না। এতে কোনো সেবা সৃষ্টি হবে না, আমিও এখান থেকে কিছু গ্রহণ করতে পারব না। এখানে আমার, মানুষের এবং দেশের ভবিষ্যৎ নেই। দীর্ঘদিন ভেবেচিন্তেই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংগঠনের কিছু নীতিগত সমস্যা রয়েছে। সেসব আগে জানলে আমি শিবিরে যুক্ত হতাম না।”
তবে জাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ বলেন, আমি স্ট্যাটাসটি দেখিনি। সে আমাদের সমর্থক ছিল। তবে কর্মী হয়েছে কিনা জানিনা। বিভিন্ন চক্র ও সাধারণ সভায় অংশ নিত। তবে তার কোনো নির্দিষ্ট সাংগঠনিক দায়িত্ব ছিল না। পদত্যাগ তার ব্যক্তিগত বিষয়। এ বিষয়ে সে আমাদের কিছু জানায়নি।
