শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়

নাসিরনগরে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, দেশি গরুর চাহিদা তুঙ্গে

নাসিরনগরে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, দেশি গরুর চাহিদা তুঙ্গে
ছবি: চেকপোস্ট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশের মতো নাসিরনগরেও চলছে জমজমাট পশু বেচাকেনা। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে হাটে মানুষের ভিড়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফান্দাউক, চাতলপাড়, নুরপুর, পূর্বভাগ, গুনিয়াউক, হরিণবেড়, ভলাকুট, কুলিকুন্ডা, চাপড়তলা ও নাসিরনগর সদরসহ বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে দেশি জাতের মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অনেকেই শেষ মুহূর্তে দাম বাড়ার আশঙ্কায় আগেভাগেই কোরবানির পশু কিনে রাখছেন।

স্থানীয় খামারিরা জানান, এবার ভারতীয় গরু না আসায় তারা স্বস্তিতে রয়েছেন। তবে গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, শ্রমিক মজুরি ও অন্যান্য ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গরুর দাম কিছুটা বেশি পড়েছে।

খামারিরা আরও জানান, পশুগুলোকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে। নিজেদের জমিতে উৎপাদিত ঘাস, বিচালি, খৈল, ভুসি ও ভুট্টা খাওয়ানো হয়েছে। কোনো ধরনের কৃত্রিম কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়নি।

এক বিক্রেতা বলেন, আবহাওয়ার সমস্যা থাকলেও বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে। সকাল থেকেই অনেক গরু বিক্রি হয়েছে। আশা করছি ঈদের আগের কয়েক দিনে বিক্রি আরও বাড়বে।

নাসিরনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সামিউল বাছির বলেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নাসিরনগরের কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ভালো বেচাকেনা হচ্ছে। স্থায়ী ও মৌসুমি খামারিদের পাশাপাশি অনেক পরিবার বাড়িতেও কোরবানির পশু পালন করেছেন। এবার চাহিদার তুলনায় পশুর সংখ্যা বেশি থাকায় ঘাটতির কোনো আশঙ্কা নেই।

#নাসিরনগর #ঈদুল_আজহা #কোরবানির_পশুর_হাট

চেকপোস্ট

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


নাসিরনগরে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, দেশি গরুর চাহিদা তুঙ্গে

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশের মতো নাসিরনগরেও চলছে জমজমাট পশু বেচাকেনা। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে হাটে মানুষের ভিড়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফান্দাউক, চাতলপাড়, নুরপুর, পূর্বভাগ, গুনিয়াউক, হরিণবেড়, ভলাকুট, কুলিকুন্ডা, চাপড়তলা ও নাসিরনগর সদরসহ বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে দেশি জাতের মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অনেকেই শেষ মুহূর্তে দাম বাড়ার আশঙ্কায় আগেভাগেই কোরবানির পশু কিনে রাখছেন।

স্থানীয় খামারিরা জানান, এবার ভারতীয় গরু না আসায় তারা স্বস্তিতে রয়েছেন। তবে গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, শ্রমিক মজুরি ও অন্যান্য ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গরুর দাম কিছুটা বেশি পড়েছে।

খামারিরা আরও জানান, পশুগুলোকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে। নিজেদের জমিতে উৎপাদিত ঘাস, বিচালি, খৈল, ভুসি ও ভুট্টা খাওয়ানো হয়েছে। কোনো ধরনের কৃত্রিম কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়নি।

এক বিক্রেতা বলেন, আবহাওয়ার সমস্যা থাকলেও বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে। সকাল থেকেই অনেক গরু বিক্রি হয়েছে। আশা করছি ঈদের আগের কয়েক দিনে বিক্রি আরও বাড়বে।

নাসিরনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সামিউল বাছির বলেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নাসিরনগরের কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ভালো বেচাকেনা হচ্ছে। স্থায়ী ও মৌসুমি খামারিদের পাশাপাশি অনেক পরিবার বাড়িতেও কোরবানির পশু পালন করেছেন। এবার চাহিদার তুলনায় পশুর সংখ্যা বেশি থাকায় ঘাটতির কোনো আশঙ্কা নেই।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত