সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার অপরাধে দুই জেলেকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) দিরাই বাজার ও চামটি নদী এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল হাসান সৌরভের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রির দায়ে দিরাই বাজারের ব্যবসায়ী দীপক দাস (৫০) ও বিপ্লব শর্মা (৪৫)-কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
এদিকে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাছ ধরার অপরাধে দুই জেলেকে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া নিষিদ্ধ জাল ক্রয়ের দায়ে উপজেলার জগদল গ্রামের আবুবক্কর (৪৫)-কে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে জব্দ করা ১২৭ প্যাকেট অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি জীবিত মাছ হাওরে অবমুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল হাসান সৌরভ জানান, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের জনস্বার্থমূলক অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার অপরাধে দুই জেলেকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) দিরাই বাজার ও চামটি নদী এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল হাসান সৌরভের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রির দায়ে দিরাই বাজারের ব্যবসায়ী দীপক দাস (৫০) ও বিপ্লব শর্মা (৪৫)-কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
এদিকে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাছ ধরার অপরাধে দুই জেলেকে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া নিষিদ্ধ জাল ক্রয়ের দায়ে উপজেলার জগদল গ্রামের আবুবক্কর (৪৫)-কে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে জব্দ করা ১২৭ প্যাকেট অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি জীবিত মাছ হাওরে অবমুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল হাসান সৌরভ জানান, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের জনস্বার্থমূলক অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
