রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর একটি গোষ্ঠী মক্কা বিজয়ের উদাহরণ দিয়ে সবাইকে ক্ষমার কথা বলেছিল। তবে ফ্যাসিবাদ ও নিপীড়নের সঙ্গে জড়িতদের কখনোই ক্ষমা করা হবে না।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, জুলাইয়ের ঘটনা নিয়ে তার কিছু ব্যক্তিগত স্মৃতি রয়েছে, যা তিনি এতদিন প্রকাশ করেননি। খুন, গুম ও হত্যার সংস্কৃতির কারণেই জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে একটি গোষ্ঠী এমন কিছু ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করছে, যা কাম্য নয়। অতীতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কোনো আন্দোলন বা ইতিহাসকে এককভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে তার পরিণতি ভালো হয় না।
ফরিদুল ইসলাম আরও বলেন, অতীতেও কারও সঙ্গে আপস করা হয়নি, ভবিষ্যতেও করা হবে না। আন্দোলনের সময় সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি আন্দোলনকারীদের রাজপথ না ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, আন্দোলনের সময় বিভিন্ন পক্ষ থেকে হুমকি পাওয়ার পর তার স্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা জানিয়েছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, এসব বিষয় তুলে ধরলেই অনেক সময় তাদের বিভিন্ন ট্যাগ দেওয়া হয়। তবে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম রফিকুল ইসলাম বলেন, অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই। ঐক্য না থাকলে অভ্যুত্থানবিরোধী শক্তি আবার সক্রিয় হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার বা স্বৈরাচারী প্রবণতার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সে জন্য নির্বাচিত সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ। এছাড়া শিক্ষক ফোরাম ও শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর একটি গোষ্ঠী মক্কা বিজয়ের উদাহরণ দিয়ে সবাইকে ক্ষমার কথা বলেছিল। তবে ফ্যাসিবাদ ও নিপীড়নের সঙ্গে জড়িতদের কখনোই ক্ষমা করা হবে না।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, জুলাইয়ের ঘটনা নিয়ে তার কিছু ব্যক্তিগত স্মৃতি রয়েছে, যা তিনি এতদিন প্রকাশ করেননি। খুন, গুম ও হত্যার সংস্কৃতির কারণেই জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে একটি গোষ্ঠী এমন কিছু ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করছে, যা কাম্য নয়। অতীতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কোনো আন্দোলন বা ইতিহাসকে এককভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে তার পরিণতি ভালো হয় না।
ফরিদুল ইসলাম আরও বলেন, অতীতেও কারও সঙ্গে আপস করা হয়নি, ভবিষ্যতেও করা হবে না। আন্দোলনের সময় সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি আন্দোলনকারীদের রাজপথ না ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, আন্দোলনের সময় বিভিন্ন পক্ষ থেকে হুমকি পাওয়ার পর তার স্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা জানিয়েছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, এসব বিষয় তুলে ধরলেই অনেক সময় তাদের বিভিন্ন ট্যাগ দেওয়া হয়। তবে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম রফিকুল ইসলাম বলেন, অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই। ঐক্য না থাকলে অভ্যুত্থানবিরোধী শক্তি আবার সক্রিয় হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার বা স্বৈরাচারী প্রবণতার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সে জন্য নির্বাচিত সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ। এছাড়া শিক্ষক ফোরাম ও শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
