বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আবাসিক দুই হলের সংঘর্ষের ১২ দিন পর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শহীদ শামসুল হক হল ও আশরাফুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং ভাঙচুরের ঘটনায় ৭ সদস্যের এই কমিটি কাজ করবে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হেলাল উদ্দীনের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।
কমিটিতে সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম আদহামকে সভাপতি এবং সংস্থাপন শাখা-২ এর অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. মঞ্জুর হোসেনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৩ জুলাই রাত ১টা ৫০ মিনিট থেকে ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত এবং পরদিন ২৪ জুলাই দুপুরের পর আশরাফুল হক হল ও শহীদ শামসুল হক হলের কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পাশাপাশি দুই হলের মূল ফটক, সীমানা প্রাচীরের লাইট, সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত ও ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার কারণ, দায়ী ব্যক্তি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি যাচাই করে দ্রুত প্রতিবেদন ও সুপারিশ দেওয়ার জন্য এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল হাসান ভূঞা, সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম, এগ্রোফরেস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক এবং উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশীদ।
তদন্ত কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে এম আদহাম জানান, তিনি সোমবারই তদন্তের চিঠি পেয়েছেন। মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হবে। প্রথমে দুই হল সরেজমিনে পরিদর্শন করা হবে এবং পরে কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আবাসিক দুই হলের সংঘর্ষের ১২ দিন পর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শহীদ শামসুল হক হল ও আশরাফুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং ভাঙচুরের ঘটনায় ৭ সদস্যের এই কমিটি কাজ করবে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হেলাল উদ্দীনের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।
কমিটিতে সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম আদহামকে সভাপতি এবং সংস্থাপন শাখা-২ এর অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. মঞ্জুর হোসেনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৩ জুলাই রাত ১টা ৫০ মিনিট থেকে ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত এবং পরদিন ২৪ জুলাই দুপুরের পর আশরাফুল হক হল ও শহীদ শামসুল হক হলের কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পাশাপাশি দুই হলের মূল ফটক, সীমানা প্রাচীরের লাইট, সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত ও ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার কারণ, দায়ী ব্যক্তি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি যাচাই করে দ্রুত প্রতিবেদন ও সুপারিশ দেওয়ার জন্য এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল হাসান ভূঞা, সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম, এগ্রোফরেস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক এবং উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশীদ।
তদন্ত কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে এম আদহাম জানান, তিনি সোমবারই তদন্তের চিঠি পেয়েছেন। মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হবে। প্রথমে দুই হল সরেজমিনে পরিদর্শন করা হবে এবং পরে কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
