বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

শিক্ষা

বিভাগভিত্তিক শূন্য আসন ফাঁকা থাকার আশঙ্কা প্রবল

টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজে অনার্সে আসন শূন্য থাকার শঙ্কা, ভর্তি সংকটে শিক্ষার্থী কম

টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজে অনার্সে আসন শূন্য থাকার শঙ্কা, ভর্তি সংকটে শিক্ষার্থী কম
টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজ ভবন ছবি: চেকপোস্ট

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজ-এ ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে অনার্স প্রথম বর্ষে ব্যাপক আসন শূন্য থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবেদন ও ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা আসনের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, অনার্স প্রথম বর্ষে মোট ১৩১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। এর মধ্যে প্রথম মেরিট তালিকায় ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ১০৩ জন। অথচ কলেজটির অনার্স শাখায় মোট আসন সংখ্যা ৬৬৫টি হওয়ায় অধিকাংশ আসনই ফাঁকা থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১ জন, বাংলা বিভাগে ১৩ জন, অর্থনীতি বিভাগে ১ জন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ৮ জন, ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৩ জন, গণিত বিভাগে ১ জন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি ২০১০ সালে সরকারি করা হয়। ২০০৯–১০ শিক্ষাবর্ষে এখানে অনার্স কোর্স চালু হয়। বর্তমানে অনার্স শাখায় ২৪ জন শিক্ষকসহ মোট শিক্ষক রয়েছেন ৪৬ জন।

বিভাগভিত্তিক শিক্ষকসংখ্যা অনুযায়ী গণিত, অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, বাংলা, ব্যবস্থাপনা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং সংস্কৃত বিভাগে শিক্ষকরা কর্মরত আছেন। এছাড়া কলেজটিতে সরকারি ৬ জন এবং বেসরকারি ২১ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।

#শিক্ষা_সংবাদ #টুঙ্গিপাড়া_কলেজ #অনার্স_ভর্তি

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজে অনার্সে আসন শূন্য থাকার শঙ্কা, ভর্তি সংকটে শিক্ষার্থী কম

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজ-এ ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে অনার্স প্রথম বর্ষে ব্যাপক আসন শূন্য থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবেদন ও ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা আসনের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, অনার্স প্রথম বর্ষে মোট ১৩১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। এর মধ্যে প্রথম মেরিট তালিকায় ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ১০৩ জন। অথচ কলেজটির অনার্স শাখায় মোট আসন সংখ্যা ৬৬৫টি হওয়ায় অধিকাংশ আসনই ফাঁকা থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১ জন, বাংলা বিভাগে ১৩ জন, অর্থনীতি বিভাগে ১ জন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ৮ জন, ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৩ জন, গণিত বিভাগে ১ জন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি ২০১০ সালে সরকারি করা হয়। ২০০৯–১০ শিক্ষাবর্ষে এখানে অনার্স কোর্স চালু হয়। বর্তমানে অনার্স শাখায় ২৪ জন শিক্ষকসহ মোট শিক্ষক রয়েছেন ৪৬ জন।

বিভাগভিত্তিক শিক্ষকসংখ্যা অনুযায়ী গণিত, অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, বাংলা, ব্যবস্থাপনা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং সংস্কৃত বিভাগে শিক্ষকরা কর্মরত আছেন। এছাড়া কলেজটিতে সরকারি ৬ জন এবং বেসরকারি ২১ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত