অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়জুড়ে মাঠে থাকা দেশের সেনাসদস্যদের অবশেষে ব্যারাকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার ৫ মে অনুষ্ঠিত প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৬ জুন থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যদের চূড়ান্ত প্রত্যাহার শুরু হবে। প্রথমে দূরবর্তী জেলা থেকে সেনা সরানো হবে, এরপর ধাপে ধাপে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলা থেকে প্রত্যাহার করা হবে। জুন মাসের মধ্যেই মাঠপর্যায়ে থাকা সব সেনাসদস্য ব্যারাকে ফিরে যাবেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা শুরু হলে কারফিউ জারি করে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও পুলিশ বাহিনীর দুর্বল অবস্থার কারণে সেনাবাহিনী দীর্ঘ সময় মাঠে দায়িত্ব পালন করে আসছিল।
বর্তমানে প্রায় ১৭ হাজার সেনাসদস্য মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে রয়েছেন। দীর্ঘদিন টানা দায়িত্ব পালনের ফলে তাদের বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একাধিকবার প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছিল।
এদিকে, বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানাবে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়জুড়ে মাঠে থাকা দেশের সেনাসদস্যদের অবশেষে ব্যারাকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার ৫ মে অনুষ্ঠিত প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৬ জুন থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যদের চূড়ান্ত প্রত্যাহার শুরু হবে। প্রথমে দূরবর্তী জেলা থেকে সেনা সরানো হবে, এরপর ধাপে ধাপে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলা থেকে প্রত্যাহার করা হবে। জুন মাসের মধ্যেই মাঠপর্যায়ে থাকা সব সেনাসদস্য ব্যারাকে ফিরে যাবেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা শুরু হলে কারফিউ জারি করে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও পুলিশ বাহিনীর দুর্বল অবস্থার কারণে সেনাবাহিনী দীর্ঘ সময় মাঠে দায়িত্ব পালন করে আসছিল।
বর্তমানে প্রায় ১৭ হাজার সেনাসদস্য মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে রয়েছেন। দীর্ঘদিন টানা দায়িত্ব পালনের ফলে তাদের বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একাধিকবার প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছিল।
এদিকে, বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানাবে।
