জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কালীগঞ্জ উপজেলার ইউএনও এটিএম কামরুল ইসলাম।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক দক্ষতা, জনসেবা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং মানবিক উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।
গত ২৪ মে জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষরিত মূল্যায়ন তালিকায় ২০২৬ সালের শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসেবে এটিএম কামরুল ইসলামের নাম ঘোষণা করা হয়।
এর আগে তিনি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকারি জমি উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান, অবৈধ মাটি কাটা রোধ, অসহায় মানুষের সহায়তা, শিক্ষা কার্যক্রম তদারকি এবং উন্নয়ন প্রকল্প পর্যবেক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা রেখে স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করেন তিনি।
এছাড়া মহান বিজয় দিবসে সাইকেল র্যালি, স্বাধীনতা দিবসে ম্যারাথন ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনে তার সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।
প্রতিক্রিয়ায় এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, আমি শ্রেষ্ঠ হওয়ার জন্য কাজ করিনি। সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। কাজের স্বীকৃতি পাওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ।
স্থানীয়দের মতে, মানবিক ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কারণেই কালীগঞ্জের জন্য এ অর্জন গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কালীগঞ্জ উপজেলার ইউএনও এটিএম কামরুল ইসলাম।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক দক্ষতা, জনসেবা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং মানবিক উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।
গত ২৪ মে জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষরিত মূল্যায়ন তালিকায় ২০২৬ সালের শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসেবে এটিএম কামরুল ইসলামের নাম ঘোষণা করা হয়।
এর আগে তিনি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকারি জমি উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান, অবৈধ মাটি কাটা রোধ, অসহায় মানুষের সহায়তা, শিক্ষা কার্যক্রম তদারকি এবং উন্নয়ন প্রকল্প পর্যবেক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা রেখে স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করেন তিনি।
এছাড়া মহান বিজয় দিবসে সাইকেল র্যালি, স্বাধীনতা দিবসে ম্যারাথন ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনে তার সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।
প্রতিক্রিয়ায় এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, আমি শ্রেষ্ঠ হওয়ার জন্য কাজ করিনি। সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। কাজের স্বীকৃতি পাওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ।
স্থানীয়দের মতে, মানবিক ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কারণেই কালীগঞ্জের জন্য এ অর্জন গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।
