মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লাউয়াছড়ার বাঁধ ভেঙে ভানুবিল ও ছনগাঁও গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে। টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলের চাপ বেড়ে বাঁধটি ভেঙে পড়ে, এতে প্রবল গতিতে পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভানুবিল ও ছনগাঁও গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ছনগাঁও–ভানুবিল সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।
ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, ঢলের পানিতে ঘরবাড়ি ও আঙিনা ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন বলেন, আকস্মিক ঢলে অন্তত ৭০ থেকে ৮০টি বাড়ির আঙিনা পানিতে তলিয়ে গেছে এবং গ্রামের সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লাউয়াছড়ার বাঁধ ভেঙে ভানুবিল ও ছনগাঁও গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে। টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলের চাপ বেড়ে বাঁধটি ভেঙে পড়ে, এতে প্রবল গতিতে পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভানুবিল ও ছনগাঁও গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ছনগাঁও–ভানুবিল সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।
ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, ঢলের পানিতে ঘরবাড়ি ও আঙিনা ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন বলেন, আকস্মিক ঢলে অন্তত ৭০ থেকে ৮০টি বাড়ির আঙিনা পানিতে তলিয়ে গেছে এবং গ্রামের সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
