খুলনা নগরীতে অস্ত্রসহ মনিরুল ইসলাম মনি নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড তাজা গুলি ও একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ দুপুর ২টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মনি খুলনা নগরীর ছোট বয়রা এলাকার শামসুর রহমানের ছেলে।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে মাদ্রাসা রোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ।
তিনি বলেন, মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় মনির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার কোমর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
ওসি আরও জানান, গত ১০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে সোনাডাঙ্গা থানার করিমনগর এলাকায় একটি বাসায় প্রবেশ করে একদল দুর্বৃত্ত এক যুবককে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে তার বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তবে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ওই যুবকের মায়ের শরীরে লাগে।
পুলিশ জানায়, ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মনির উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটিও ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।
ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকেই মনিকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
খুলনা নগরীতে অস্ত্রসহ মনিরুল ইসলাম মনি নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড তাজা গুলি ও একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ দুপুর ২টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মনি খুলনা নগরীর ছোট বয়রা এলাকার শামসুর রহমানের ছেলে।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে মাদ্রাসা রোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ।
তিনি বলেন, মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় মনির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার কোমর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
ওসি আরও জানান, গত ১০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে সোনাডাঙ্গা থানার করিমনগর এলাকায় একটি বাসায় প্রবেশ করে একদল দুর্বৃত্ত এক যুবককে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে তার বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তবে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ওই যুবকের মায়ের শরীরে লাগে।
পুলিশ জানায়, ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মনির উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটিও ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।
ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকেই মনিকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
