রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ইসলাম

আমিন’ বললে মাফ হয় গুনাহ

সুরা ফাতেহার পর ‘আমিন’ কেন বলা হয়? জানুন ফজিলত

সুরা ফাতেহার পর ‘আমিন’ কেন বলা হয়? জানুন ফজিলত
জামাতে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। ছবি : সংগৃহীত

নামাজে সুরা ফাতেহা শেষ করার পর ‘আমিন’ বলা মুসলমানদের প্রচলিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সুন্নতে মুয়াক্কাদা। হাদিসে ‘আমিন’ বলার বিশেষ ফজিলতও বর্ণিত হয়েছে।

নামাজে ইমাম, একাকী নামাজ আদায়কারী এবং মুকতাদির (ইমামের অনুসরণকারী) জন্য সুরা ফাতেহার শেষ আয়াত ‘গায়রিল মাগজুবি আলাইহিম ওয়ালাজ জাল্লিন’ শোনার পর আমিন বলা সুন্নত। তবে কেউ না বললেও নামাজের কোনো ক্ষতি হয় না।

হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ইমাম যখন আমিন বলেন, তখন তোমরাও আমিন বলো। কারণ যার আমিন বলা ফেরেশতাদের আমিন বলার সঙ্গে মিলে যায়, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (সহিহ বুখারি)

ইসলাম বিশেষজ্ঞরা জানান, আমিন শুধু মনে মনে পড়ার বিষয় নয়; বরং নামাজের অন্যান্য তাসবিহের মতো এটি মুখে উচ্চারণ করতে হয়। তবে আমিন জোরে বলা হবে নাকি আস্তে এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে ভিন্ন মত রয়েছে। উভয় পদ্ধতির পক্ষে হাদিস পাওয়া যায়।

আলেমদের মতে, এ বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও এটিকে কেন্দ্র করে বিরোধ বা বিতর্ক করা উচিত নয়। এটি একটি মুস্তাহাব আমল, তাই যে পদ্ধতিতে পড়া হোক, সুন্নতের অনুসরণ হয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, সুরা ফাতেহার মধ্যে ‘আমিন’ শব্দটি নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজে সুরা ফাতেহার পর আমিন বলতে নির্দেশ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে সওয়াব পাওয়া যায় এবং গুনাহ মাফের সুযোগ তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, আমিন জোরে বা আস্তে বলার বিষয়ে উভয় ধরনের বর্ণনা রয়েছে। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি বা ঝগড়া করা ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

#ইসলামিক_জ্ঞান #আমিনের_ফজিলত #সুরা_ফাতেহা

চেকপোস্ট

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


সুরা ফাতেহার পর ‘আমিন’ কেন বলা হয়? জানুন ফজিলত

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নামাজে সুরা ফাতেহা শেষ করার পর ‘আমিন’ বলা মুসলমানদের প্রচলিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সুন্নতে মুয়াক্কাদা। হাদিসে ‘আমিন’ বলার বিশেষ ফজিলতও বর্ণিত হয়েছে।

নামাজে ইমাম, একাকী নামাজ আদায়কারী এবং মুকতাদির (ইমামের অনুসরণকারী) জন্য সুরা ফাতেহার শেষ আয়াত ‘গায়রিল মাগজুবি আলাইহিম ওয়ালাজ জাল্লিন’ শোনার পর আমিন বলা সুন্নত। তবে কেউ না বললেও নামাজের কোনো ক্ষতি হয় না।

হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ইমাম যখন আমিন বলেন, তখন তোমরাও আমিন বলো। কারণ যার আমিন বলা ফেরেশতাদের আমিন বলার সঙ্গে মিলে যায়, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (সহিহ বুখারি)

ইসলাম বিশেষজ্ঞরা জানান, আমিন শুধু মনে মনে পড়ার বিষয় নয়; বরং নামাজের অন্যান্য তাসবিহের মতো এটি মুখে উচ্চারণ করতে হয়। তবে আমিন জোরে বলা হবে নাকি আস্তে এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে ভিন্ন মত রয়েছে। উভয় পদ্ধতির পক্ষে হাদিস পাওয়া যায়।

আলেমদের মতে, এ বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও এটিকে কেন্দ্র করে বিরোধ বা বিতর্ক করা উচিত নয়। এটি একটি মুস্তাহাব আমল, তাই যে পদ্ধতিতে পড়া হোক, সুন্নতের অনুসরণ হয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, সুরা ফাতেহার মধ্যে ‘আমিন’ শব্দটি নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজে সুরা ফাতেহার পর আমিন বলতে নির্দেশ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে সওয়াব পাওয়া যায় এবং গুনাহ মাফের সুযোগ তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, আমিন জোরে বা আস্তে বলার বিষয়ে উভয় ধরনের বর্ণনা রয়েছে। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি বা ঝগড়া করা ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত