বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

নতুন প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ

কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার, বাড়ছে সমুদ্র নিরাপত্তা

কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার, বাড়ছে সমুদ্র নিরাপত্তা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত করা হচ্ছে অত্যাধুনিক নজরদারি হেলিকপ্টার।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে ঘোষণা দেন। তিনি জানান, আধুনিক জাহাজ, ড্রোন, উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি এবং জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে কোস্টগার্ডকে একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, উপকূলীয় ও গভীর সমুদ্র এলাকায় দ্রুত নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনার জন্য এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হেলিকপ্টার যুক্ত হলে মাদক পাচার, মানব পাচার, অবৈধ মৎস্য আহরণ ও জলদস্যুতা দমনে কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

হেলিকপ্টারগুলোতে উন্নত সেন্সর, রাডার এবং রিয়েল-টাইম ডাটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি থাকবে, যা সমুদ্র এলাকায় দ্রুত শনাক্তকরণ ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করবে।

এছাড়া একটি সমন্বিত ‘মেরিটাইম সার্ভেইলেন্স সিস্টেম’ গড়ে তোলার কাজও চলছে। এর মাধ্যমে উপকূলীয় জলসীমা, প্রধান নৌপথ এবং সমুদ্রবন্দরগুলোতে সার্বক্ষণিক ডিজিটাল নজরদারি চালানো সম্ভব হবে।

এরই মধ্যে কোস্টগার্ডে ড্রোন প্রযুক্তি, অফশোর টহল জাহাজ, ফাস্ট পেট্রোল ক্রাফট এবং উচ্চগতির বোট যুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার অর্থায়নে আরও কিছু আধুনিক জাহাজ নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হেলিকপ্টার ও সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা যুক্ত হলে বাংলাদেশ সমুদ্র নিরাপত্তায় একটি আধুনিক ‘মেরিটাইম ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস’ সক্ষমতা অর্জন করবে।

সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বঙ্গোপসাগরে অপরাধ দমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

#বাংলাদেশ #কোস্টগার্ড #নৌনিরাপত্তা

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার, বাড়ছে সমুদ্র নিরাপত্তা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত করা হচ্ছে অত্যাধুনিক নজরদারি হেলিকপ্টার।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে ঘোষণা দেন। তিনি জানান, আধুনিক জাহাজ, ড্রোন, উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি এবং জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে কোস্টগার্ডকে একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, উপকূলীয় ও গভীর সমুদ্র এলাকায় দ্রুত নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনার জন্য এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হেলিকপ্টার যুক্ত হলে মাদক পাচার, মানব পাচার, অবৈধ মৎস্য আহরণ ও জলদস্যুতা দমনে কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

হেলিকপ্টারগুলোতে উন্নত সেন্সর, রাডার এবং রিয়েল-টাইম ডাটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি থাকবে, যা সমুদ্র এলাকায় দ্রুত শনাক্তকরণ ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করবে।

এছাড়া একটি সমন্বিত ‘মেরিটাইম সার্ভেইলেন্স সিস্টেম’ গড়ে তোলার কাজও চলছে। এর মাধ্যমে উপকূলীয় জলসীমা, প্রধান নৌপথ এবং সমুদ্রবন্দরগুলোতে সার্বক্ষণিক ডিজিটাল নজরদারি চালানো সম্ভব হবে।

এরই মধ্যে কোস্টগার্ডে ড্রোন প্রযুক্তি, অফশোর টহল জাহাজ, ফাস্ট পেট্রোল ক্রাফট এবং উচ্চগতির বোট যুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার অর্থায়নে আরও কিছু আধুনিক জাহাজ নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হেলিকপ্টার ও সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা যুক্ত হলে বাংলাদেশ সমুদ্র নিরাপত্তায় একটি আধুনিক ‘মেরিটাইম ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস’ সক্ষমতা অর্জন করবে।

সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বঙ্গোপসাগরে অপরাধ দমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত