লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৬ জুন ২০২৬) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর চর মার্টিন ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত আব্দুর রব হুজুরের তালিমুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জানা যায়, মাদ্রাসার ভবন ও আশপাশ রক্ষার্থে রাখা বালুভর্তি বস্তা কয়েকজন ছিঁড়ে ফেলছিলেন। এ সময় মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা শিহাব উদ্দিন তাদের বাধা দিলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, জামাল, জায়েদ, সামছু এবং পরিবারের সদস্য সায়েরা খাতুনসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলায় অংশ নেন। এতে মাওলানা শিহাব উদ্দিনের মাথা ফেটে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। তাকে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
ঘটনার সময় স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের উদ্ধার করে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার পর অভিযুক্তরা মাদ্রাসা প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং মাদ্রাসা ছেড়ে চলে যেতে চাপ সৃষ্টি করেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তবে একাধিকবার অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
কমলনগর থানার ওসি ফরিদুল আলম বলেন, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৬ জুন ২০২৬) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর চর মার্টিন ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত আব্দুর রব হুজুরের তালিমুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জানা যায়, মাদ্রাসার ভবন ও আশপাশ রক্ষার্থে রাখা বালুভর্তি বস্তা কয়েকজন ছিঁড়ে ফেলছিলেন। এ সময় মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা শিহাব উদ্দিন তাদের বাধা দিলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, জামাল, জায়েদ, সামছু এবং পরিবারের সদস্য সায়েরা খাতুনসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলায় অংশ নেন। এতে মাওলানা শিহাব উদ্দিনের মাথা ফেটে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। তাকে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
ঘটনার সময় স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের উদ্ধার করে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার পর অভিযুক্তরা মাদ্রাসা প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং মাদ্রাসা ছেড়ে চলে যেতে চাপ সৃষ্টি করেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তবে একাধিকবার অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
কমলনগর থানার ওসি ফরিদুল আলম বলেন, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
