বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

৩ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা চাওয়া

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জাল দলিলের অভিযোগে দুই দলিল লেখক বরখাস্ত

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জাল দলিলের অভিযোগে দুই দলিল লেখক বরখাস্ত
ছবি: চেকপোস্ট

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে দলিল নিবন্ধনের অভিযোগে দুই দলিল লেখককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়। একই সঙ্গে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে স্থায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া দুই দলিল লেখক হলেন উপজেলার বংকুরা গ্রামের নাসির উদ্দিন শেখ এবং কাঠি গ্রামের মিজানুর রহমান বুলবুল শরীফ

সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কয়েকজন দলিল লেখকের বিরুদ্ধে জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে দলিল প্রস্তুত ও নিবন্ধনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তে দুই দলিল লেখকের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেলে তাঁদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

বরখাস্ত হওয়া মিজানুর রহমান বুলবুল শরীফ দাবি করেন, গত ১৫ জুলাই উনশিয়া গ্রামের আমেনা বেগম প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে তাঁর কাছে আসেন। নিয়ম অনুযায়ী তিনি সেগুলো সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমা দেন এবং যাচাই-বাছাই শেষে দলিল নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, জমা দেওয়া কাগজপত্র জাল ছিল। এ ঘটনায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তিনি ইতোমধ্যে কারণ দর্শানোর লিখিত জবাব জমা দিয়েছেন।

অন্যদিকে নাসির উদ্দিন শেখ বলেন, একটি দলিল নিবন্ধনের জন্য জমা দেওয়া কাগজপত্রে কর্তৃপক্ষ অসঙ্গতি শনাক্ত করার পর জাল কাগজপত্র ব্যবহারের অভিযোগে তাঁকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তিনিও লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিয়েছেন বলে জানান।

অভিযোগে নাম আসা আমেনা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি এবং তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও দলিল লেখকের অভিযোগ, সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়কে ঘিরে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে জাল দলিল নিবন্ধনের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় দুই দলিল লেখককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। কারণ দর্শানোর নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

#গোপালগঞ্জ_সংবাদ #কোটালীপাড়া #জাল_দলিল

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬


গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জাল দলিলের অভিযোগে দুই দলিল লেখক বরখাস্ত

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে দলিল নিবন্ধনের অভিযোগে দুই দলিল লেখককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়। একই সঙ্গে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে স্থায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া দুই দলিল লেখক হলেন উপজেলার বংকুরা গ্রামের নাসির উদ্দিন শেখ এবং কাঠি গ্রামের মিজানুর রহমান বুলবুল শরীফ

সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কয়েকজন দলিল লেখকের বিরুদ্ধে জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে দলিল প্রস্তুত ও নিবন্ধনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তে দুই দলিল লেখকের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেলে তাঁদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

বরখাস্ত হওয়া মিজানুর রহমান বুলবুল শরীফ দাবি করেন, গত ১৫ জুলাই উনশিয়া গ্রামের আমেনা বেগম প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে তাঁর কাছে আসেন। নিয়ম অনুযায়ী তিনি সেগুলো সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমা দেন এবং যাচাই-বাছাই শেষে দলিল নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, জমা দেওয়া কাগজপত্র জাল ছিল। এ ঘটনায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তিনি ইতোমধ্যে কারণ দর্শানোর লিখিত জবাব জমা দিয়েছেন।

অন্যদিকে নাসির উদ্দিন শেখ বলেন, একটি দলিল নিবন্ধনের জন্য জমা দেওয়া কাগজপত্রে কর্তৃপক্ষ অসঙ্গতি শনাক্ত করার পর জাল কাগজপত্র ব্যবহারের অভিযোগে তাঁকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তিনিও লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিয়েছেন বলে জানান।

অভিযোগে নাম আসা আমেনা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি এবং তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও দলিল লেখকের অভিযোগ, সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়কে ঘিরে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে জাল দলিল নিবন্ধনের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় দুই দলিল লেখককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। কারণ দর্শানোর নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত