বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

স্থানীয়দের দ্রুত অভিযানের দাবি

কক্সবাজারে পাহাড় কাটার অভিযোগ, ঝিলংজায় বালু-কাদায় তলাচ্ছে সড়ক

কক্সবাজারে পাহাড় কাটার অভিযোগ, ঝিলংজায় বালু-কাদায় তলাচ্ছে সড়ক
ছবি: চেকপোস্ট

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পশ্চিম হাজীপাড়া এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র পাহাড়ের মাটি কেটে সরিয়ে নেওয়ায় প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে বালু ও কাদা নেমে এসে স্থানীয় সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও ব্যবস্থা না থাকায় অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এতে একদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি বাড়ছে।

বাসিন্দাদের ভাষ্য, আগে পাহাড়ের পানি স্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে গেলেও পাহাড় কাটার কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পশ্চিম হাজীপাড়ার বিভিন্ন সড়কে পানি, বালু ও কাদা জমে যান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আবদুল করিম বলেন, "বৃষ্টি হলেই পাহাড়ের মাটি ও বালু রাস্তার ওপর নেমে আসে। অনেক সময় ঘর থেকে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশাসন যেন দ্রুত সরেজমিনে এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।"

আরেক বাসিন্দা রেহানা আক্তার বলেন, "রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে শিশুদের স্কুলে যাওয়া এবং রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।"

স্থানীয়রা জানান, ঝিলংজা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এর আগেও পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ জানারঘোনা ও দক্ষিণ হাজীপাড়ায় সড়ক সংস্কারের নামে পাহাড় কেটে মাটি ও বালু ব্যবহারের অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিবেদনে বর্ষাকালে পাহাড় কাটার কারণে ভূমিধস ও পরিবেশগত ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

পরিবেশবিদদের মতে, অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কাটলে এর প্রাকৃতিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ভূমিধস, জলাবদ্ধতা এবং প্রাণহানির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, পাহাড় কাটার অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হোক। তাঁদের আশঙ্কা, কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও পরিবেশ বিপর্যয় ঘটতে পারে।

#কক্সবাজার #পরিবেশ_রক্ষা #পাহাড়_কাটা

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬


কক্সবাজারে পাহাড় কাটার অভিযোগ, ঝিলংজায় বালু-কাদায় তলাচ্ছে সড়ক

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পশ্চিম হাজীপাড়া এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র পাহাড়ের মাটি কেটে সরিয়ে নেওয়ায় প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে বালু ও কাদা নেমে এসে স্থানীয় সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও ব্যবস্থা না থাকায় অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এতে একদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি বাড়ছে।

বাসিন্দাদের ভাষ্য, আগে পাহাড়ের পানি স্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে গেলেও পাহাড় কাটার কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পশ্চিম হাজীপাড়ার বিভিন্ন সড়কে পানি, বালু ও কাদা জমে যান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আবদুল করিম বলেন, "বৃষ্টি হলেই পাহাড়ের মাটি ও বালু রাস্তার ওপর নেমে আসে। অনেক সময় ঘর থেকে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশাসন যেন দ্রুত সরেজমিনে এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।"

আরেক বাসিন্দা রেহানা আক্তার বলেন, "রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে শিশুদের স্কুলে যাওয়া এবং রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।"

স্থানীয়রা জানান, ঝিলংজা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এর আগেও পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ জানারঘোনা ও দক্ষিণ হাজীপাড়ায় সড়ক সংস্কারের নামে পাহাড় কেটে মাটি ও বালু ব্যবহারের অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিবেদনে বর্ষাকালে পাহাড় কাটার কারণে ভূমিধস ও পরিবেশগত ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

পরিবেশবিদদের মতে, অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কাটলে এর প্রাকৃতিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ভূমিধস, জলাবদ্ধতা এবং প্রাণহানির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, পাহাড় কাটার অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হোক। তাঁদের আশঙ্কা, কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও পরিবেশ বিপর্যয় ঘটতে পারে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত