শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

কষ্টে শ্রমজীবীরা

কক্সবাজারে ৩৬° তাপমাত্রায় আগুন ঝরছে গরম, জনজীবনে চরম ভোগান্তি

কক্সবাজারে ৩৬° তাপমাত্রায় আগুন ঝরছে গরম, জনজীবনে চরম ভোগান্তি
ছবি: চেকপোস্ট

তীব্র দাবদাহ আর ভ্যাপসা গরমে স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারের জনজীবন। শনিবার (৯ মে ২০২৬) জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে উচ্চ আর্দ্রতার কারণে বাস্তব অনুভূত তাপমাত্রা আরও বেশি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সকাল থেকেই প্রখর রোদের তাপে শহরের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপুরের পর রাস্তাঘাটে লোকসমাগম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। বিশেষ করে রিকশাচালক, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য এই গরম চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, উপকূলীয় ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে আর্দ্রতা সবসময় বেশি থাকে। তিনি বলেন,
“আজ জেলায় এই মৌসুমের সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহ এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।”

তিনি আরও জানান, মে মাসের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা আবহাওয়ার পরিবর্তন আনতে পারে।

শহরের কালুর দোকান এলাকায় রিকশাচালক রহমত উল্লাহ বলেন,
“গরমে রিকশা চালানো কষ্টকর হয়ে গেছে। যাত্রীও কম, আয়ও কমে গেছে।”

অন্যদিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। যারা আসছেন, তারা মূলত বিকেলের পর সৈকতে নামছেন।

চিকিৎসকরা এই তীব্র গরমে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। তারা বেশি করে পানি পান, হালকা খাবার গ্রহণ এবং অপ্রয়োজনে রোদে না বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের শেষে বৃষ্টিপাত না হলে গরমের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

#কক্সবাজার #তাপপ্রবাহ #আবহাওয়াবাংলাদেশ

চেকপোস্ট

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


কক্সবাজারে ৩৬° তাপমাত্রায় আগুন ঝরছে গরম, জনজীবনে চরম ভোগান্তি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image

তীব্র দাবদাহ আর ভ্যাপসা গরমে স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারের জনজীবন। শনিবার (৯ মে ২০২৬) জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে উচ্চ আর্দ্রতার কারণে বাস্তব অনুভূত তাপমাত্রা আরও বেশি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সকাল থেকেই প্রখর রোদের তাপে শহরের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপুরের পর রাস্তাঘাটে লোকসমাগম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। বিশেষ করে রিকশাচালক, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য এই গরম চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, উপকূলীয় ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে আর্দ্রতা সবসময় বেশি থাকে। তিনি বলেন,
“আজ জেলায় এই মৌসুমের সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহ এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।”

তিনি আরও জানান, মে মাসের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা আবহাওয়ার পরিবর্তন আনতে পারে।

শহরের কালুর দোকান এলাকায় রিকশাচালক রহমত উল্লাহ বলেন,
“গরমে রিকশা চালানো কষ্টকর হয়ে গেছে। যাত্রীও কম, আয়ও কমে গেছে।”

অন্যদিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। যারা আসছেন, তারা মূলত বিকেলের পর সৈকতে নামছেন।

চিকিৎসকরা এই তীব্র গরমে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। তারা বেশি করে পানি পান, হালকা খাবার গ্রহণ এবং অপ্রয়োজনে রোদে না বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের শেষে বৃষ্টিপাত না হলে গরমের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত