বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

তথ্যপ্রযুক্তি

চেনার সহজ উপায় জানাল বিশেষজ্ঞরা

এআই ছবি–ভিডিও শনাক্তের সহজ কৌশল, ভুয়া কনটেন্টে সতর্কতা জরুরি

এআই ছবি–ভিডিও শনাক্তের সহজ কৌশল, ভুয়া কনটেন্টে সতর্কতা জরুরি
ছবি : সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে এখন বাস্তব ও কৃত্রিম ছবি বা ভিডিও আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক কনটেন্টের সংখ্যা বাড়ায় বিভ্রান্তিও বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ খেয়াল করলে সহজেই বোঝা সম্ভব কোনো ছবি বা ভিডিও আসল নাকি কৃত্রিমভাবে তৈরি।

ভিডিওতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, যেমন হঠাৎ বস্তু গায়েব হওয়া বা মানুষের অস্বাভাবিক নড়াচড়া, এআই কনটেন্টের সাধারণ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। একইভাবে খুব ঝাপসা বা অতিরিক্ত নিখুঁত ভিডিওও সন্দেহজনক হতে পারে।

ভিডিওর শব্দ ও দৃশ্যের মধ্যে মিল না থাকলেও সতর্ক হওয়া উচিত। অনেক সময় কণ্ঠস্বর যান্ত্রিক বা অতিরঞ্জিত শোনায়, যা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মেলে না।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, আবেগপ্রবণ বা দ্রুত শেয়ার করতে উৎসাহিত করে এমন ভিডিও প্রথমে যাচাই করা জরুরি। কারণ ভুয়া কনটেন্ট সাধারণত মানুষের রাগ, ভয় বা সহানুভূতি কাজে লাগিয়ে ছড়ানো হয়।

ছবির ক্ষেত্রেও কিছু সাধারণ ত্রুটি দেখা যায় মানুষের মুখ অতিরিক্ত নিখুঁত লাগা, পেছনের অংশে অসংগতি বা আলো–ছায়ার ভুল ব্যবহার ইত্যাদি।

এছাড়া ডিপফেক ভিডিওতে কারও মুখ অন্য ভিডিওতে বসানো হলেও কাছ থেকে দেখলে মুখের নড়াচড়া বা চারপাশে অস্পষ্টতা ধরা পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, প্রতিদিন উন্নত হওয়া এআই প্রযুক্তির কারণে ভবিষ্যতে সত্য-মিথ্যা আলাদা করা আরও কঠিন হবে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় যেকোনো কনটেন্ট শেয়ার করার আগে যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

#এআইপ্রযুক্তি #ডিপফেক #সাইবারসতর্কতা

চেকপোস্ট

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


এআই ছবি–ভিডিও শনাক্তের সহজ কৌশল, ভুয়া কনটেন্টে সতর্কতা জরুরি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে এখন বাস্তব ও কৃত্রিম ছবি বা ভিডিও আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক কনটেন্টের সংখ্যা বাড়ায় বিভ্রান্তিও বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ খেয়াল করলে সহজেই বোঝা সম্ভব কোনো ছবি বা ভিডিও আসল নাকি কৃত্রিমভাবে তৈরি।

ভিডিওতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, যেমন হঠাৎ বস্তু গায়েব হওয়া বা মানুষের অস্বাভাবিক নড়াচড়া, এআই কনটেন্টের সাধারণ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। একইভাবে খুব ঝাপসা বা অতিরিক্ত নিখুঁত ভিডিওও সন্দেহজনক হতে পারে।

ভিডিওর শব্দ ও দৃশ্যের মধ্যে মিল না থাকলেও সতর্ক হওয়া উচিত। অনেক সময় কণ্ঠস্বর যান্ত্রিক বা অতিরঞ্জিত শোনায়, যা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মেলে না।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, আবেগপ্রবণ বা দ্রুত শেয়ার করতে উৎসাহিত করে এমন ভিডিও প্রথমে যাচাই করা জরুরি। কারণ ভুয়া কনটেন্ট সাধারণত মানুষের রাগ, ভয় বা সহানুভূতি কাজে লাগিয়ে ছড়ানো হয়।

ছবির ক্ষেত্রেও কিছু সাধারণ ত্রুটি দেখা যায় মানুষের মুখ অতিরিক্ত নিখুঁত লাগা, পেছনের অংশে অসংগতি বা আলো–ছায়ার ভুল ব্যবহার ইত্যাদি।

এছাড়া ডিপফেক ভিডিওতে কারও মুখ অন্য ভিডিওতে বসানো হলেও কাছ থেকে দেখলে মুখের নড়াচড়া বা চারপাশে অস্পষ্টতা ধরা পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, প্রতিদিন উন্নত হওয়া এআই প্রযুক্তির কারণে ভবিষ্যতে সত্য-মিথ্যা আলাদা করা আরও কঠিন হবে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় যেকোনো কনটেন্ট শেয়ার করার আগে যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত