বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

২৪ প্রকল্প চলমান বলে জানাল চীনা প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে চীনা কোম্পানিকে আহ্বান, যেসব খাতে আগ্রহ সরকারের

বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে চীনা কোম্পানিকে আহ্বান, যেসব খাতে আগ্রহ সরকারের
সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সাথে সিআরসিসি প্রতিনিধিদলের দ্বিপাক্ষিক সভা অনুষ্ঠিত। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনা বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চেয়েছে সরকার। এসব খাতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) অথবা সরাসরি বিনিয়োগের মাধ্যমে এগিয়ে আসতে চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনকে (সিআরসিসি) আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যেসব খাতে চীনা বিনিয়োগ চায় সরকার

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিশাল পরিসর তুলে ধরেন। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), ওয়াসা, সিটি করপোরেশন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) দেশজুড়ে অবকাঠামো, পানি সরবরাহ, ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে।

বর্তমানে দেশে ৫ শতাধিক উপজেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, প্রায় ৪ হাজার ৯০০টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং ৬১টি জেলা পরিষদ রয়েছে।

সরকারের ‘গ্রামকে শহরে রূপান্তরের’ রূপকল্প বাস্তবায়নে চীনা প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সুপেয় পানি সরবরাহ, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, গ্রামীণ ও শহরের সড়ক যোগাযোগ এবং সেতু নির্মাণে সিআরসিসি এগিয়ে এলে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে চীনের অবদানের জন্যও তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

বাংলাদেশে ২৪ প্রকল্পে কাজ করছে চীনা প্রতিষ্ঠান

সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন জানান, বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম রয়েছে। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ২৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

এর আগে সিআরসিসি কক্সবাজার রেল সংযোগ প্রকল্প, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু এবং নদীতীর পুনর্দখল প্রকল্পের মতো বড় প্রকল্পে কাজ করেছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নিরাপদ পানিতে আগ্রহ

দাই হেগেন আরও জানান, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং গ্রামীণ এলাকায় আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী সিআরসিসি।

বাংলাদেশের শহর ও গ্রামাঞ্চলের সুষম উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে অবদান রাখতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

বৈঠকে দুই পক্ষের আলোচনায় অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা গুরুত্ব পায়।

#স্থানীয়_সরকার #চীনা_বিনিয়োগ #বাংলাদেশের_উন্নয়ন

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে চীনা কোম্পানিকে আহ্বান, যেসব খাতে আগ্রহ সরকারের

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনা বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চেয়েছে সরকার। এসব খাতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) অথবা সরাসরি বিনিয়োগের মাধ্যমে এগিয়ে আসতে চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনকে (সিআরসিসি) আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।


বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।


সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যেসব খাতে চীনা বিনিয়োগ চায় সরকার

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিশাল পরিসর তুলে ধরেন। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), ওয়াসা, সিটি করপোরেশন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) দেশজুড়ে অবকাঠামো, পানি সরবরাহ, ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে।


বর্তমানে দেশে ৫ শতাধিক উপজেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, প্রায় ৪ হাজার ৯০০টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং ৬১টি জেলা পরিষদ রয়েছে।


সরকারের ‘গ্রামকে শহরে রূপান্তরের’ রূপকল্প বাস্তবায়নে চীনা প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী।


তিনি বলেন, সুপেয় পানি সরবরাহ, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, গ্রামীণ ও শহরের সড়ক যোগাযোগ এবং সেতু নির্মাণে সিআরসিসি এগিয়ে এলে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে চীনের অবদানের জন্যও তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

বাংলাদেশে ২৪ প্রকল্পে কাজ করছে চীনা প্রতিষ্ঠান

সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন জানান, বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম রয়েছে। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ২৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।


এর আগে সিআরসিসি কক্সবাজার রেল সংযোগ প্রকল্প, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু এবং নদীতীর পুনর্দখল প্রকল্পের মতো বড় প্রকল্পে কাজ করেছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নিরাপদ পানিতে আগ্রহ

দাই হেগেন আরও জানান, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং গ্রামীণ এলাকায় আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী সিআরসিসি।


বাংলাদেশের শহর ও গ্রামাঞ্চলের সুষম উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে অবদান রাখতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।


বৈঠকে দুই পক্ষের আলোচনায় অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা গুরুত্ব পায়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত