বগুড়া সোনাতলায় আদালতের নির্দেশে প্রায় ১১ বিঘা জমির দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত নিযুক্ত কমিশনার। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের মহিষাবাড়ী গ্রামে এ দখল হস্তান্তর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় উচ্ছেদ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন বগুড়া পুলিশ লাইন ও সোনাতলা থানা পুলিশের সদস্যরা।
আদালতের মোকদ্দমা নং ১৩৬/২০২৬-এর নির্দেশক্রমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট ও আদালত নিযুক্ত কমিশনার অ্যাডভোকেট মাধবী রানী সোমা এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এতে মহিষাবাড়ী গ্রামের মৃত এফাজ উদ্দিন আকন্দের ছেলে মো. জালাল উদ্দিন আকন্দকে প্রায় ১১ বিঘা জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
দখল হস্তান্তর কার্যক্রমের সময় ঢোল বাজিয়ে এবং সরকারি আমিনের মাধ্যমে জমি পরিমাপ ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বাদী মো. জালাল উদ্দিন আকন্দকে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এ সময় আদালত নিযুক্ত কমিশনারের কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন বগুড়া পুলিশ লাইন ও সোনাতলা থানা পুলিশের সদস্যরা।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বগুড়া সোনাতলায় আদালতের নির্দেশে প্রায় ১১ বিঘা জমির দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন আদালত নিযুক্ত কমিশনার। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের মহিষাবাড়ী গ্রামে এ দখল হস্তান্তর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় উচ্ছেদ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন বগুড়া পুলিশ লাইন ও সোনাতলা থানা পুলিশের সদস্যরা।
আদালতের মোকদ্দমা নং ১৩৬/২০২৬-এর নির্দেশক্রমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট ও আদালত নিযুক্ত কমিশনার অ্যাডভোকেট মাধবী রানী সোমা এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এতে মহিষাবাড়ী গ্রামের মৃত এফাজ উদ্দিন আকন্দের ছেলে মো. জালাল উদ্দিন আকন্দকে প্রায় ১১ বিঘা জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
দখল হস্তান্তর কার্যক্রমের সময় ঢোল বাজিয়ে এবং সরকারি আমিনের মাধ্যমে জমি পরিমাপ ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বাদী মো. জালাল উদ্দিন আকন্দকে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এ সময় আদালত নিযুক্ত কমিশনারের কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন বগুড়া পুলিশ লাইন ও সোনাতলা থানা পুলিশের সদস্যরা।
