অ্যাপলের নতুন আইফোন নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আগ্রহ সবসময়ই থাকে তুঙ্গে। এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অ্যাপলের আসন্ন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স।
অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ফোনটি উন্মোচন করেনি। তবে বিভিন্ন লিক, প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিবেদন ও স্পেসিফিকেশনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ফোনে থাকতে পারে উন্নত প্রসেসর, শক্তিশালী ক্যামেরা, বেশি র্যাম এবং বড় স্টোরেজ সুবিধা।
ধারণা করা হচ্ছে, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে থাকতে পারে ৬.৯ ইঞ্চি ডিসপ্লে, নতুন এ২০ প্রো চিপ, ১২ জিবি র্যাম এবং সর্বোচ্চ ২ টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ।
তবে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এসব তথ্য নিশ্চিত স্পেসিফিকেশন হিসেবে ধরা যাচ্ছে না।
প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অ্যাপল তাদের বার্ষিক ইভেন্টে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে আইফোন ১৮ সিরিজ উন্মোচন করতে পারে।
সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, উন্মোচনের পরপরই প্রি-অর্ডার শুরু হতে পারে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতে বিক্রি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আইফোন ১৮ সিরিজের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে পারে অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল বা ভাঁজযোগ্য ফোন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ফোল্ডেবল আইফোন বাজারে এলে স্মার্টফোন খাতে অ্যাপলের নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে। বর্তমানে ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে স্যামসাংয়ের আধিপত্য থাকলেও অ্যাপলের প্রবেশ এই খাতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ডিজাইনে আগের মডেলের তুলনায় পরিবর্তন আসতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
সম্ভাব্য পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে
ডাইনামিক আইল্যান্ড ছোট হলে ডিসপ্লের ব্যবহারযোগ্য অংশ আরও বাড়তে পারে।
ক্যামেরার ক্ষেত্রে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে বড় আপগ্রেড আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সম্ভাব্য ফিচার
এ ছাড়া অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে এআইভিত্তিক ছবি সম্পাদনা, সিন শনাক্তকরণ ও উন্নত ফটোগ্রাফি সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে থাকতে পারে অ্যাপলের নতুন এ২০ প্রো প্রসেসর।
এই চিপ দ্রুত পারফরম্যান্স, উন্নত গ্রাফিক্স এবং এআই কাজের ক্ষেত্রে আরও ভালো সক্ষমতা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফোনটিতে নতুন আইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেম থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে, যেখানে উন্নত অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ও নিরাপত্তা সুবিধা যুক্ত হতে পারে।
নতুন চিপের শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির কারণে আগের তুলনায় ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়তে পারে।
সম্ভাব্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে
তবে আগের মতোই বক্সে চার্জার না থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে থাকতে পারে—
এ ছাড়া স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নত সংস্করণ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে ১২ জিবি র্যাম থাকতে পারে।
স্টোরেজ সংস্করণ হিসেবে আসতে পারে
বিশেষ করে যারা উচ্চ মানের ভিডিও ধারণ করেন বা বড় ফাইল সংরক্ষণ করেন, তাদের জন্য বড় স্টোরেজ সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
অ্যাপল এখনো আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম ঘোষণা করেনি।
তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগের প্রো ম্যাক্স মডেলের কাছাকাছি দাম রাখা হতে পারে। বাংলাদেশে চূড়ান্ত দাম নির্ভর করবে আমদানি শুল্ক, কর, ডলারের মূল্য, সরবরাহ ব্যবস্থা ও বিক্রেতার মুনাফার ওপর।
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স নিয়ে এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তার বেশিরভাগই সম্ভাব্য ফিচার ও গুঞ্জনভিত্তিক।
তবে নতুন চিপ, উন্নত ক্যামেরা, বড় স্টোরেজ, এআই সুবিধা এবং সম্ভাব্য ফোল্ডেবল আইফোন সব মিলিয়ে অ্যাপলের নতুন ফ্ল্যাগশিপ ঘিরে প্রযুক্তি দুনিয়ায় আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
অ্যাপলের নতুন আইফোন নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আগ্রহ সবসময়ই থাকে তুঙ্গে। এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অ্যাপলের আসন্ন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স।
অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ফোনটি উন্মোচন করেনি। তবে বিভিন্ন লিক, প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিবেদন ও স্পেসিফিকেশনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ফোনে থাকতে পারে উন্নত প্রসেসর, শক্তিশালী ক্যামেরা, বেশি র্যাম এবং বড় স্টোরেজ সুবিধা।
ধারণা করা হচ্ছে, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে থাকতে পারে ৬.৯ ইঞ্চি ডিসপ্লে, নতুন এ২০ প্রো চিপ, ১২ জিবি র্যাম এবং সর্বোচ্চ ২ টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ।
তবে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এসব তথ্য নিশ্চিত স্পেসিফিকেশন হিসেবে ধরা যাচ্ছে না।
প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অ্যাপল তাদের বার্ষিক ইভেন্টে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে আইফোন ১৮ সিরিজ উন্মোচন করতে পারে।
সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, উন্মোচনের পরপরই প্রি-অর্ডার শুরু হতে পারে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতে বিক্রি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আইফোন ১৮ সিরিজের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে পারে অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল বা ভাঁজযোগ্য ফোন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ফোল্ডেবল আইফোন বাজারে এলে স্মার্টফোন খাতে অ্যাপলের নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে। বর্তমানে ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে স্যামসাংয়ের আধিপত্য থাকলেও অ্যাপলের প্রবেশ এই খাতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ডিজাইনে আগের মডেলের তুলনায় পরিবর্তন আসতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
সম্ভাব্য পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে
ডাইনামিক আইল্যান্ড ছোট হলে ডিসপ্লের ব্যবহারযোগ্য অংশ আরও বাড়তে পারে।
ক্যামেরার ক্ষেত্রে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে বড় আপগ্রেড আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সম্ভাব্য ফিচার
এ ছাড়া অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে এআইভিত্তিক ছবি সম্পাদনা, সিন শনাক্তকরণ ও উন্নত ফটোগ্রাফি সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে থাকতে পারে অ্যাপলের নতুন এ২০ প্রো প্রসেসর।
এই চিপ দ্রুত পারফরম্যান্স, উন্নত গ্রাফিক্স এবং এআই কাজের ক্ষেত্রে আরও ভালো সক্ষমতা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফোনটিতে নতুন আইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেম থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে, যেখানে উন্নত অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ও নিরাপত্তা সুবিধা যুক্ত হতে পারে।
নতুন চিপের শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির কারণে আগের তুলনায় ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়তে পারে।
সম্ভাব্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে
তবে আগের মতোই বক্সে চার্জার না থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে থাকতে পারে—
এ ছাড়া স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নত সংস্করণ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে ১২ জিবি র্যাম থাকতে পারে।
স্টোরেজ সংস্করণ হিসেবে আসতে পারে
বিশেষ করে যারা উচ্চ মানের ভিডিও ধারণ করেন বা বড় ফাইল সংরক্ষণ করেন, তাদের জন্য বড় স্টোরেজ সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
অ্যাপল এখনো আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম ঘোষণা করেনি।
তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগের প্রো ম্যাক্স মডেলের কাছাকাছি দাম রাখা হতে পারে। বাংলাদেশে চূড়ান্ত দাম নির্ভর করবে আমদানি শুল্ক, কর, ডলারের মূল্য, সরবরাহ ব্যবস্থা ও বিক্রেতার মুনাফার ওপর।
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স নিয়ে এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তার বেশিরভাগই সম্ভাব্য ফিচার ও গুঞ্জনভিত্তিক।
তবে নতুন চিপ, উন্নত ক্যামেরা, বড় স্টোরেজ, এআই সুবিধা এবং সম্ভাব্য ফোল্ডেবল আইফোন সব মিলিয়ে অ্যাপলের নতুন ফ্ল্যাগশিপ ঘিরে প্রযুক্তি দুনিয়ায় আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
