কক্সবাজার শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা কলাতলীতে উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস কো) অমান্য করে সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ২৫ ফুট উঁচু টিনের বেড়া দিয়ে জায়গাটি আড়াল করে দিনে-রাতে দ্রুতগতিতে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি খাস জমি দখল করে সেখানে প্রায় ২০টি দোকান নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি দোকান বরাদ্দ বা দখলের বিপরীতে মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলেও স্থানীয় সূত্রের দাবি। সব মিলিয়ে এই জায়গাকে কেন্দ্র করে কোটি টাকার ‘সালামি’ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দিনের বেলায় সাধারণ মানুষের চলাচল ও প্রশাসনের নজর এড়াতে নির্মাণকাজ সীমিত রাখলেও রাতের আঁধারে কাজের গতি বাড়ানো হচ্ছে। এভাবে অল্প সময়ের মধ্যেই টিনের কাঠামো তৈরি করে দোকানগুলো দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি জমিতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করতে পারে না। বিশেষ করে আদালতের নির্দেশনা বা স্থিতাবস্থা বহাল থাকলে সেখানে নতুন করে নির্মাণকাজ চালানো আদালতের আদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। তারপরও প্রভাবশালী একটি মহল প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণাধীন এলাকাটি প্রায় ২৫ ফুট উঁচু টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ফলে বাইরে থেকে ভেতরের কাজ সহজে দেখা যায় না। এই সুযোগে দ্রুত দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণকাজ বন্ধ না হলে অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে প্রায় ২০টি দোকান স্থায়ী রূপ পেতে পারে। পরে এসব দোকান উচ্ছেদ করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং সরকারি জমি উদ্ধারে প্রশাসনকে জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের অভিযোগ, নির্মাণাধীন দোকানগুলো আগাম বরাদ্দ বা দখলের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেনের আলোচনা চলছে। কোনো কোনো দোকানের বিপরীতে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নথি বা প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজার শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা কলাতলীতে উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস কো) অমান্য করে সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ২৫ ফুট উঁচু টিনের বেড়া দিয়ে জায়গাটি আড়াল করে দিনে-রাতে দ্রুতগতিতে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি খাস জমি দখল করে সেখানে প্রায় ২০টি দোকান নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি দোকান বরাদ্দ বা দখলের বিপরীতে মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলেও স্থানীয় সূত্রের দাবি। সব মিলিয়ে এই জায়গাকে কেন্দ্র করে কোটি টাকার ‘সালামি’ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দিনের বেলায় সাধারণ মানুষের চলাচল ও প্রশাসনের নজর এড়াতে নির্মাণকাজ সীমিত রাখলেও রাতের আঁধারে কাজের গতি বাড়ানো হচ্ছে। এভাবে অল্প সময়ের মধ্যেই টিনের কাঠামো তৈরি করে দোকানগুলো দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি জমিতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করতে পারে না। বিশেষ করে আদালতের নির্দেশনা বা স্থিতাবস্থা বহাল থাকলে সেখানে নতুন করে নির্মাণকাজ চালানো আদালতের আদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। তারপরও প্রভাবশালী একটি মহল প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণাধীন এলাকাটি প্রায় ২৫ ফুট উঁচু টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ফলে বাইরে থেকে ভেতরের কাজ সহজে দেখা যায় না। এই সুযোগে দ্রুত দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণকাজ বন্ধ না হলে অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে প্রায় ২০টি দোকান স্থায়ী রূপ পেতে পারে। পরে এসব দোকান উচ্ছেদ করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং সরকারি জমি উদ্ধারে প্রশাসনকে জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের অভিযোগ, নির্মাণাধীন দোকানগুলো আগাম বরাদ্দ বা দখলের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেনের আলোচনা চলছে। কোনো কোনো দোকানের বিপরীতে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নথি বা প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
