বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ

ভাতিজি হত্যা: ফুফু গ্রেপ্তার, বাবার দাবি আরও অনেকে জড়িত

ভাতিজি হত্যা: ফুফু গ্রেপ্তার, বাবার দাবি আরও অনেকে জড়িত
নারগিছ সুলতানা কচিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ইনসেটে নিহত শিশু তাইফা সুলতানা। ছবি : সংগৃহীত

বান্দরবান: বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক এলাকায় চার বছর বয়সী শিশু তাইফা সুলতানাকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগে তার আপন ফুফু নারগিছ সুলতানা কচি (৫২)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুয়ালক এলাকায় নারগিছ সুলতানা কচির ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত শিশুর বাবা ইলিয়াস খান টিপুর দাবি, দীর্ঘদিনের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

ইলিয়াস খান টিপু জানান, বিকেলে তাইফা নিখোঁজ হলে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বাড়ির আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তিনি দেখতে পান, তার বোন নারগিছ সুলতানা কচি শিশুটিকে নিজের ঘরের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।

এরপর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা নারগিছের ঘরে গিয়ে খোঁজ করলে সেখানে তাইফার নিথর দেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, পুলিশ তাদের সঙ্গে আলোচনা না করে এজাহারে শুধু নারগিছ সুলতানা কচিকে আসামি করেছে। তার দাবি, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে এবং এতে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্তের আগে অন্য কারও সম্পৃক্ততা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ জানান, নারগিছ সুলতানা কচিকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যার প্রকৃত কারণ এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

তিনি আরও জানান, তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের পেছনের ঘটনাগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

#শিশু_হত্যা #তাইফা_হত্যা #বান্দরবান_সংবাদ

চেকপোস্ট

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভাতিজি হত্যা: ফুফু গ্রেপ্তার, বাবার দাবি আরও অনেকে জড়িত

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বান্দরবান: বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক এলাকায় চার বছর বয়সী শিশু তাইফা সুলতানাকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগে তার আপন ফুফু নারগিছ সুলতানা কচি (৫২)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুয়ালক এলাকায় নারগিছ সুলতানা কচির ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত শিশুর বাবা ইলিয়াস খান টিপুর দাবি, দীর্ঘদিনের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

ইলিয়াস খান টিপু জানান, বিকেলে তাইফা নিখোঁজ হলে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বাড়ির আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তিনি দেখতে পান, তার বোন নারগিছ সুলতানা কচি শিশুটিকে নিজের ঘরের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।

এরপর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা নারগিছের ঘরে গিয়ে খোঁজ করলে সেখানে তাইফার নিথর দেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, পুলিশ তাদের সঙ্গে আলোচনা না করে এজাহারে শুধু নারগিছ সুলতানা কচিকে আসামি করেছে। তার দাবি, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে এবং এতে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্তের আগে অন্য কারও সম্পৃক্ততা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ জানান, নারগিছ সুলতানা কচিকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যার প্রকৃত কারণ এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

তিনি আরও জানান, তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের পেছনের ঘটনাগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত