ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের এ সিদ্ধান্তকে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে আখ্যা দেন।
তিনি অভিযোগ করেন, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যিনি রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত এবং পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তার মতে, এমন নিয়োগ দেশের ব্যাংক খাতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং “খাল কেটে কুমির আনার” মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় একাধিক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে গ্রাহকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এমডি পদত্যাগ ও বোর্ড পুনর্গঠনের ঘটনাও তিনি সমালোচনা করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, ব্যাংকিং খাতে বড় অঙ্কের আর্থিক অনিয়ম ও লুটপাটের সঠিক তদন্ত না করে উল্টো বিতর্কিত নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করবে।
তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, ব্যাংক খাতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে যোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে এবং বর্তমান নিয়োগ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের এ সিদ্ধান্তকে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে আখ্যা দেন।
তিনি অভিযোগ করেন, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যিনি রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত এবং পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তার মতে, এমন নিয়োগ দেশের ব্যাংক খাতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং “খাল কেটে কুমির আনার” মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় একাধিক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে গ্রাহকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এমডি পদত্যাগ ও বোর্ড পুনর্গঠনের ঘটনাও তিনি সমালোচনা করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, ব্যাংকিং খাতে বড় অঙ্কের আর্থিক অনিয়ম ও লুটপাটের সঠিক তদন্ত না করে উল্টো বিতর্কিত নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করবে।
তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, ব্যাংক খাতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে যোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে এবং বর্তমান নিয়োগ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
