শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

রাজনীতি

সুনামগঞ্জ-১ আসনে ব্যতিক্রমী আয়োজন

সুনামগঞ্জে ফ্যাসিস্ট আমলের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মিলনমেলা

সুনামগঞ্জে ফ্যাসিস্ট আমলের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মিলনমেলা
ছবি : চেকপোস্ট

সুনামগঞ্জ জেলা, বাংলাদেশ-এ গায়েবি মামলা হামলা ও কারা নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের সম্মানে এক ব্যতিক্রমী মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

এসো মিলি প্রাণের উচ্ছ্বাসে স্লোগানে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় টাঙ্গুয়ার হাওরের তীরে। এতে চারটি উপজেলার প্রায় ৮০০ নির্যাতিত নেতাকর্মী অংশ নেন বলে আয়োজকরা জানান।

কামারুজ্জামান কামরুল, যিনি সুনামগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকা আসনের সংসদ সদস্য, এই মিলনমেলার আয়োজন করেন। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আয়োজনে টাঙ্গুয়ার হাওর এ হাউসবোটে নৌভ্রমণ, গান-নাচ এবং সমবেত খাবারের আয়োজন করা হয়। পুরো পরিবেশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

বিকেলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ কামরুল বলেন, উন্নয়ন বরাদ্দ (টিআর, কাবিখা) ব্যক্তিগতভাবে নয়, বরং মসজিদ, মন্দির ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি অতীতের অনিয়মের সমালোচনা করে বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে অনেকেই এসব বরাদ্দের অপব্যবহার করেছে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে এসব বরাদ্দ গরিব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে এবং উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে।

অনুষ্ঠানে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

#সুনামগঞ্জ #টাঙ্গুয়ার_হাওর #বিএনপি_মিলনমেলা

চেকপোস্ট

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


সুনামগঞ্জে ফ্যাসিস্ট আমলের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মিলনমেলা

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জ জেলা, বাংলাদেশ-এ গায়েবি মামলা হামলা ও কারা নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের সম্মানে এক ব্যতিক্রমী মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

এসো মিলি প্রাণের উচ্ছ্বাসে স্লোগানে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় টাঙ্গুয়ার হাওরের তীরে। এতে চারটি উপজেলার প্রায় ৮০০ নির্যাতিত নেতাকর্মী অংশ নেন বলে আয়োজকরা জানান।

কামারুজ্জামান কামরুল, যিনি সুনামগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকা আসনের সংসদ সদস্য, এই মিলনমেলার আয়োজন করেন। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আয়োজনে টাঙ্গুয়ার হাওর এ হাউসবোটে নৌভ্রমণ, গান-নাচ এবং সমবেত খাবারের আয়োজন করা হয়। পুরো পরিবেশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

বিকেলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ কামরুল বলেন, উন্নয়ন বরাদ্দ (টিআর, কাবিখা) ব্যক্তিগতভাবে নয়, বরং মসজিদ, মন্দির ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি অতীতের অনিয়মের সমালোচনা করে বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে অনেকেই এসব বরাদ্দের অপব্যবহার করেছে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে এসব বরাদ্দ গরিব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে এবং উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে।

অনুষ্ঠানে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত