ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৩৯টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে-এমন দাবি উঠেছে মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে। তবে বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি পেন্টাগন।
মঙ্গলবার (১২ মে) সিনেটের এক বিশেষ কমিটির শুনানিতে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা এড কেস, প্রতিরক্ষা বিষয়ক এক প্রতিবেদনের বরাতে এই তথ্য তুলে ধরেন। শুনানিতে তিনি পেন্টাগনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জে হার্স্টকে প্রশ্ন করেন-এই বিমান ক্ষতির হিসাব কি যুদ্ধ ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে?
জবাবে হার্স্ট জানান, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন এখনো চলমান। যথাযথ পরীক্ষা ছাড়া সুনির্দিষ্ট ব্যয় নির্ধারণ সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৩ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ৩৯টি বিমান ধ্বংস এবং আরও ১০টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এমনকি একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং ২ ও একটি বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমান ক্ষতির শিকার হয়েছে বলেও উল্লেখ রয়েছে।
তবে এসব তথ্যের স্বাধীন কোনো যাচাই এখনো হয়নি, এবং পেন্টাগনের কর্মকর্তারাও প্রকাশ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।
অন্যদিকে, যুদ্ধ ব্যয় নিয়েও দেখা দিয়েছে অসংগতি। পেন্টাগনের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৯ বিলিয়ন ডলার, যা মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ছিল ২৫ বিলিয়ন। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে এই ব্যয় ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানান, সামরিক সরঞ্জাম মেরামত, আধুনিক অস্ত্র কেনা এবং চলমান সামরিক অভিযানের কারণে ব্যয় বেড়েছে। আগের হিসাবেও মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত ছিল না বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠে। পাল্টা জবাবে ইরান বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৩৯টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে-এমন দাবি উঠেছে মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে। তবে বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি পেন্টাগন।
মঙ্গলবার (১২ মে) সিনেটের এক বিশেষ কমিটির শুনানিতে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা এড কেস, প্রতিরক্ষা বিষয়ক এক প্রতিবেদনের বরাতে এই তথ্য তুলে ধরেন। শুনানিতে তিনি পেন্টাগনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জে হার্স্টকে প্রশ্ন করেন-এই বিমান ক্ষতির হিসাব কি যুদ্ধ ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে?
জবাবে হার্স্ট জানান, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন এখনো চলমান। যথাযথ পরীক্ষা ছাড়া সুনির্দিষ্ট ব্যয় নির্ধারণ সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৩ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ৩৯টি বিমান ধ্বংস এবং আরও ১০টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এমনকি একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং ২ ও একটি বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমান ক্ষতির শিকার হয়েছে বলেও উল্লেখ রয়েছে।
তবে এসব তথ্যের স্বাধীন কোনো যাচাই এখনো হয়নি, এবং পেন্টাগনের কর্মকর্তারাও প্রকাশ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।
অন্যদিকে, যুদ্ধ ব্যয় নিয়েও দেখা দিয়েছে অসংগতি। পেন্টাগনের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৯ বিলিয়ন ডলার, যা মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ছিল ২৫ বিলিয়ন। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে এই ব্যয় ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানান, সামরিক সরঞ্জাম মেরামত, আধুনিক অস্ত্র কেনা এবং চলমান সামরিক অভিযানের কারণে ব্যয় বেড়েছে। আগের হিসাবেও মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত ছিল না বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠে। পাল্টা জবাবে ইরান বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
