মিয়ানমার ও বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগে আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা) প্রধান আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন Fortify Rights।
শনিবার (২৩ মে) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্যরা International Criminal Court-এর প্রসিকিউটরের দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধের তদন্ত জোরদার করে দ্রুত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা বেসামরিক নাগরিক, মানবাধিকারকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আরসা প্রধান আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে। এছাড়া ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন Geoffrey Nice, Kerry Kennedy, Beth Van Schaack, Lord Alton এবং Jim Silkসহ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা।
তাদের ভাষ্য, রোহিঙ্গা সংকটে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর দায়বদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হলেও, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত অন্য পক্ষগুলোকেও বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন। এতে আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও শক্তিশালী হবে।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়ার মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া সম্ভব যে, নৃশংস অপরাধের দায় থেকে কোনো পক্ষই দায়মুক্তি পাবে না।
ফোর্টিফাই রাইটস জানিয়েছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যেও আরসার বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র তৎপরতার নানা অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে শরণার্থীশিবিরগুলোতে আধিপত্য বিস্তার ও ভিন্নমত দমনে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগও উঠেছে সংগঠনটির বিরুদ্ধে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিলে রোহিঙ্গা সংকট ঘিরে সংঘটিত অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে। একই সঙ্গে শরণার্থীশিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক চাপও বাড়তে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে আতাউল্লাহ কারাগারে রয়েছেন।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
মিয়ানমার ও বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগে আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা) প্রধান আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন Fortify Rights।
শনিবার (২৩ মে) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্যরা International Criminal Court-এর প্রসিকিউটরের দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধের তদন্ত জোরদার করে দ্রুত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা বেসামরিক নাগরিক, মানবাধিকারকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আরসা প্রধান আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে। এছাড়া ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন Geoffrey Nice, Kerry Kennedy, Beth Van Schaack, Lord Alton এবং Jim Silkসহ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা।
তাদের ভাষ্য, রোহিঙ্গা সংকটে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর দায়বদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হলেও, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত অন্য পক্ষগুলোকেও বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন। এতে আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও শক্তিশালী হবে।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়ার মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া সম্ভব যে, নৃশংস অপরাধের দায় থেকে কোনো পক্ষই দায়মুক্তি পাবে না।
ফোর্টিফাই রাইটস জানিয়েছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যেও আরসার বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র তৎপরতার নানা অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে শরণার্থীশিবিরগুলোতে আধিপত্য বিস্তার ও ভিন্নমত দমনে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগও উঠেছে সংগঠনটির বিরুদ্ধে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিলে রোহিঙ্গা সংকট ঘিরে সংঘটিত অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে। একই সঙ্গে শরণার্থীশিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক চাপও বাড়তে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে আতাউল্লাহ কারাগারে রয়েছেন।
