পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের তীব্র জ্বালানি তেল সংকটের অবসান ঘটেছে। উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে এখন পর্যাপ্ত পরিমাণ পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল মজুত থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার দেখা মিলছে না।
কিছুদিন আগেও যেসব পাম্পে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন ও ভিড় ছিল, বর্তমানে সেখানে অনেকটা সুনসান পরিবেশ বিরাজ করছে। পাম্পের কর্মীরাও অলস সময় পার করছেন বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডিপো থেকে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ পাওয়ায় এখন আর কোনো ঘাটতি নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক বলেন, “কয়েকদিন আগেও তেলের জন্য মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছিল। এখন রিজার্ভ ভর্তি তেল আছে, কিন্তু ক্রেতা নেই বললেই চলে। সারা দিনে হাতে গোনা কয়েকটি মোটরসাইকেল ও ট্রাক আসে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিনের সংকটের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই বিকল্পভাবে তেল সংগ্রহ করে রেখেছেন। এছাড়া তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং সীমান্ত এলাকায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কারণেও খুচরা ক্রেতার সংখ্যা কমে যেতে পারে।
স্থানীয়দের ধারণা, উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি এবং তেল পাচাররোধে কঠোর অবস্থানের কারণেই বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা এখন স্বস্তিতে তেল সংগ্রহ করতে পারছেন।
তবে হঠাৎ করেই ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়া ফিলিং স্টেশনগুলো নিয়ে এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের তীব্র জ্বালানি তেল সংকটের অবসান ঘটেছে। উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে এখন পর্যাপ্ত পরিমাণ পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল মজুত থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার দেখা মিলছে না।
কিছুদিন আগেও যেসব পাম্পে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন ও ভিড় ছিল, বর্তমানে সেখানে অনেকটা সুনসান পরিবেশ বিরাজ করছে। পাম্পের কর্মীরাও অলস সময় পার করছেন বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডিপো থেকে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ পাওয়ায় এখন আর কোনো ঘাটতি নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক বলেন, “কয়েকদিন আগেও তেলের জন্য মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছিল। এখন রিজার্ভ ভর্তি তেল আছে, কিন্তু ক্রেতা নেই বললেই চলে। সারা দিনে হাতে গোনা কয়েকটি মোটরসাইকেল ও ট্রাক আসে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিনের সংকটের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই বিকল্পভাবে তেল সংগ্রহ করে রেখেছেন। এছাড়া তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং সীমান্ত এলাকায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কারণেও খুচরা ক্রেতার সংখ্যা কমে যেতে পারে।
স্থানীয়দের ধারণা, উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি এবং তেল পাচাররোধে কঠোর অবস্থানের কারণেই বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা এখন স্বস্তিতে তেল সংগ্রহ করতে পারছেন।
তবে হঠাৎ করেই ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়া ফিলিং স্টেশনগুলো নিয়ে এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
