মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

স্বাস্থ্য

ঘুম ভাঙার আসল রহস্য জানুন

প্রতি রাতে একই সময়ে ঘুম ভাঙে? জানুন ভয়ংকর কারণ ও সমাধান

প্রতি রাতে একই সময়ে ঘুম ভাঙে? জানুন ভয়ংকর কারণ ও সমাধান
ছবি : সংগৃহীত

অনেকেই লক্ষ্য করেন, প্রতিদিন রাতের নির্দিষ্ট একটি সময়ে ঘুম ভেঙে যায়—কখনো মাঝরাতে, কখনো ভোরের দিকে। এটি সবসময় বড় কোনো রোগের লক্ষণ নয়, তবে শরীর ও জীবনযাত্রার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হতে পারে।  

শরীরের জৈবিক ঘড়ি

মানুষের শরীরের একটি প্রাকৃতিক ঘড়ি রয়েছে, যা ঘুম-জাগরণ নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে গেলে শরীর একটি অভ্যাস তৈরি করে ফেলে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম ভেঙে যাওয়াও স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে।

ঘুমের চক্রের প্রভাব

ঘুম একটানা নয় এটি ৯০–১২০ মিনিটের চক্রে চলে। প্রতিটি চক্র শেষে সামান্য জাগরণ হতে পারে, যা অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না।

পরিবেশগত কারণ

রাতের শব্দ (গাড়ি, যন্ত্রপাতি)

ঘরের তাপমাত্রা পরিবর্তন

আলো বা ডিজিটাল ডিভাইসের প্রভাব

এসব কারণে ঘুমের গভীরতা কমে যেতে পারে।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

দুশ্চিন্তা, স্ট্রেস বা মানসিক অস্থিরতা শরীরের হরমোন পরিবর্তন করে। ফলে ঘুম ভেঙে যাওয়া, বুক ধড়ফড় বা অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

শারীরিক সমস্যা 

স্লিপ অ্যাপনিয়া ঘুমে শ্বাস বন্ধ হওয়া 

অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক

রাতে বারবার প্রস্রাবের সমস্যা

কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বয়স ও হরমোনের প্রভাব

বয়স বাড়ার সাথে সাথে গভীর ঘুম কমে যায়। নারীদের ক্ষেত্রে হরমোন পরিবর্তনও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

যদি দীর্ঘদিন একই সমস্যা চলতে থাকে এবং ক্লান্তি বাড়ে, তাহলে জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

#ঘুমেরসমস্যা #স্বাস্থ্যটিপস #ঘুমভাঙা

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬


প্রতি রাতে একই সময়ে ঘুম ভাঙে? জানুন ভয়ংকর কারণ ও সমাধান

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬

featured Image

অনেকেই লক্ষ্য করেন, প্রতিদিন রাতের নির্দিষ্ট একটি সময়ে ঘুম ভেঙে যায়—কখনো মাঝরাতে, কখনো ভোরের দিকে। এটি সবসময় বড় কোনো রোগের লক্ষণ নয়, তবে শরীর ও জীবনযাত্রার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হতে পারে।  

শরীরের জৈবিক ঘড়ি

মানুষের শরীরের একটি প্রাকৃতিক ঘড়ি রয়েছে, যা ঘুম-জাগরণ নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে গেলে শরীর একটি অভ্যাস তৈরি করে ফেলে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম ভেঙে যাওয়াও স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে।

ঘুমের চক্রের প্রভাব

ঘুম একটানা নয় এটি ৯০–১২০ মিনিটের চক্রে চলে। প্রতিটি চক্র শেষে সামান্য জাগরণ হতে পারে, যা অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না।

পরিবেশগত কারণ

রাতের শব্দ (গাড়ি, যন্ত্রপাতি)

ঘরের তাপমাত্রা পরিবর্তন

আলো বা ডিজিটাল ডিভাইসের প্রভাব

এসব কারণে ঘুমের গভীরতা কমে যেতে পারে।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

দুশ্চিন্তা, স্ট্রেস বা মানসিক অস্থিরতা শরীরের হরমোন পরিবর্তন করে। ফলে ঘুম ভেঙে যাওয়া, বুক ধড়ফড় বা অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

শারীরিক সমস্যা 

স্লিপ অ্যাপনিয়া ঘুমে শ্বাস বন্ধ হওয়া 

অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক

রাতে বারবার প্রস্রাবের সমস্যা

কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বয়স ও হরমোনের প্রভাব

বয়স বাড়ার সাথে সাথে গভীর ঘুম কমে যায়। নারীদের ক্ষেত্রে হরমোন পরিবর্তনও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

যদি দীর্ঘদিন একই সমস্যা চলতে থাকে এবং ক্লান্তি বাড়ে, তাহলে জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত