বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

রাজনীতি

গায়েবি মামলা যাচাই করে প্রত্যাহারের উদ্যোগ

আওয়ামী লীগ আমলে ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা না দিলে মামলা,

আওয়ামী লীগ আমলে ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা না দিলে মামলা,
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র এখনো জমা পড়েনি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। এসব অস্ত্র দ্রুত জমা ও উদ্ধার করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বুধবার ৬ মে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনএ জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। প্রয়োজনে মামলা দায়ের এবং অস্ত্র বাজেয়াপ্তের কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত নীতিবহির্ভূতভাবে দেওয়া অস্ত্রের লাইসেন্সগুলো জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক ও গায়েবি মামলা যাচাই করে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সুপারদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এসব আবেদন পর্যালোচনা করবে। পরে সেগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে যেসব মামলার গুরুত্ব নেই সেগুলো প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হবে।

তবে হত্যা, অস্ত্র ও মাদক পাচারের মতো গুরুতর অপরাধের মামলাগুলো এই প্রক্রিয়ার বাইরে থাকবে বলেও স্পষ্ট করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

#বাংলাদেশ_রাজনীতি #আইনশৃঙ্খলা #অস্ত্র_জমা

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


আওয়ামী লীগ আমলে ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা না দিলে মামলা,

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

আওয়ামী লীগ আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র এখনো জমা পড়েনি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। এসব অস্ত্র দ্রুত জমা ও উদ্ধার করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বুধবার ৬ মে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনএ জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। প্রয়োজনে মামলা দায়ের এবং অস্ত্র বাজেয়াপ্তের কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত নীতিবহির্ভূতভাবে দেওয়া অস্ত্রের লাইসেন্সগুলো জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক ও গায়েবি মামলা যাচাই করে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সুপারদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এসব আবেদন পর্যালোচনা করবে। পরে সেগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে যেসব মামলার গুরুত্ব নেই সেগুলো প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হবে।

তবে হত্যা, অস্ত্র ও মাদক পাচারের মতো গুরুতর অপরাধের মামলাগুলো এই প্রক্রিয়ার বাইরে থাকবে বলেও স্পষ্ট করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত