মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আর্কাইভ

সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় খাসিয়া সম্প্রদায়ের গুলিতে সালেহ আহমেদ জয়ধর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক। এর আগে, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে ভারতের প্রায় এক কিলোমিটার অভ্যন্তরে একটি সুপারি বাগানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সালেহ আহমেদ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দয়ারবাজার-সংলগ্ন কারবালার টুক গ্রামের বাসিন্দা। বিজিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সালেহ আহমেদ তার আরও দুই সহযোগীকে নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। তারা মেঘালয়ের চংকেট ও মারকানের মধ্যবর্তী একটি সুপারি বাগানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় স্থানীয় খাসিয়া লোকজন তাদের সুপারি চোর সন্দেহে ছররা বন্দুক দিয়ে গুলি ছোড়ে। এতে সালেহ আহমেদ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহতের সঙ্গে থাকা নাজিরগাঁও গ্রামের মো. সুমন মিয়া (২৫) ও কারবালার টুক গ্রামের মো. মাসুম আহম্মদ (২০) মরদেহটি বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। এর আগে গত ১ এপ্রিল একই উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় আরও এক বাংলাদেশি যুবক গুলিতে নিহত হন। তবে তার মরদেহ এখনও ফেরত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলেও বিজিবি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো তথ্য পায়নি।

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় খাসিয়া সম্প্রদায়ের গুলিতে সালেহ আহমেদ জয়ধর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক। এর আগে, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে ভারতের প্রায় এক কিলোমিটার অভ্যন্তরে একটি সুপারি বাগানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সালেহ আহমেদ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দয়ারবাজার-সংলগ্ন কারবালার টুক গ্রামের বাসিন্দা। বিজিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সালেহ আহমেদ তার আরও দুই সহযোগীকে নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। তারা মেঘালয়ের চংকেট ও মারকানের মধ্যবর্তী একটি সুপারি বাগানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় স্থানীয় খাসিয়া লোকজন তাদের সুপারি চোর সন্দেহে ছররা বন্দুক দিয়ে গুলি ছোড়ে। এতে সালেহ আহমেদ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহতের সঙ্গে থাকা নাজিরগাঁও গ্রামের মো. সুমন মিয়া (২৫) ও কারবালার টুক গ্রামের মো. মাসুম আহম্মদ (২০) মরদেহটি বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। এর আগে গত ১ এপ্রিল একই উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় আরও এক বাংলাদেশি যুবক গুলিতে নিহত হন। তবে তার মরদেহ এখনও ফেরত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলেও বিজিবি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো তথ্য পায়নি।

চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত