কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারী শিক্ষার্থীদের ভূমিকার প্রশংসা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেছেন, “আন্দোলনে ছাত্রীরাই তার ভাইদের আগলে রেখেছে। ছাত্রীরাই তার ভাইদের বিজয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে।
রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য আরো বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য একটি কর্নার করা হবে। এর নাম হিসেবে আমরা ‘অরুণিমা কর্নার’ প্রস্তাব করেছি। এটি নারী শিক্ষার্থীদের বিশ্রামের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান হবে। সেখানে স্বাস্থ্যসম্মত ওয়াশরুম, নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা এবং ক্লাসের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকবে। প্রয়োজনে সেখানে একটি পৃথক ব্রেস্টফিডিং কর্ণারও রাখা হবে।
অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ৩৫ জন শিক্ষার্থী, পাঁচ জন সাংবাদিক, আন্দোলনে সহায়তাকারী ৮ জন স্থানীয় ব্যক্তি ও অংশগ্রহণকারী আরও ২১ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারী শিক্ষার্থীদের ভূমিকার প্রশংসা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেছেন, “আন্দোলনে ছাত্রীরাই তার ভাইদের আগলে রেখেছে। ছাত্রীরাই তার ভাইদের বিজয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে।
রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য আরো বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য একটি কর্নার করা হবে। এর নাম হিসেবে আমরা ‘অরুণিমা কর্নার’ প্রস্তাব করেছি। এটি নারী শিক্ষার্থীদের বিশ্রামের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান হবে। সেখানে স্বাস্থ্যসম্মত ওয়াশরুম, নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা এবং ক্লাসের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকবে। প্রয়োজনে সেখানে একটি পৃথক ব্রেস্টফিডিং কর্ণারও রাখা হবে।
অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ৩৫ জন শিক্ষার্থী, পাঁচ জন সাংবাদিক, আন্দোলনে সহায়তাকারী ৮ জন স্থানীয় ব্যক্তি ও অংশগ্রহণকারী আরও ২১ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
