রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ও সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি উপেক্ষা করে অফিস কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে খুলনা ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) ঝুমুর বালার অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ওয়াসা কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত খুলনা ওয়াসা ভবনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় শ্রমিক ও কর্মচারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভ চলাকালে অধিকাংশ কর্মকর্তা অফিসে উপস্থিত ছিলেন না।
কর্মচারী ইউনিয়নের অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। গত বুধবার সব সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও ওই আদেশ অমান্য করে খুলনা ওয়াসা ভবন খোলা রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেদিন সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করে অফিস কার্যক্রম চালু রাখেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়নি, কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়নি। বরং গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রক্রিয়া চালানো হয় এবং অফিসে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ভুরি ভোজের আয়োজন করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ওয়াসা কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি কবির হোসেন। বক্তব্য রাখেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জিএম গফফার, সহ-সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, দুলাল উদ্দিন খান ও মুকুল হোসেন।
শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সদস্য সচিব মুকুল বলেন,
“রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জানাজা চলছিল, তখন ওয়াসা ভবনে ভুরি ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। এখানে দুর্নীতিবাজদের প্রমোশন দেওয়া হচ্ছে, অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বুধবার একজন সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে হেনস্তা করা হয়েছে।”
সহ-সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম বলেন,
“সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির দিনে নিয়োগ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে অফিস খোলা রেখে শোক কর্মসূচিকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ঝুমুর বালার অপসারণ দাবি করছি।”
এদিকে বিক্ষোভের খবর পেয়ে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালা ও সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা অফিসে আসেননি।
খুলনা ওয়াসার সচিব মাহেরা নাজনীন বলেন,
“বুধবার আমি ছুটিতে ছিলাম। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্যার বর্তমানে ঢাকায় আছেন, তিনি রবিবার অফিসে এলে বিষয়টি জানানো হবে।”
খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তৌহিদুজ্জামান বলেন,
“বেলা ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ও সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি উপেক্ষা করে অফিস কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে খুলনা ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) ঝুমুর বালার অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ওয়াসা কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত খুলনা ওয়াসা ভবনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় শ্রমিক ও কর্মচারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভ চলাকালে অধিকাংশ কর্মকর্তা অফিসে উপস্থিত ছিলেন না।
কর্মচারী ইউনিয়নের অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। গত বুধবার সব সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও ওই আদেশ অমান্য করে খুলনা ওয়াসা ভবন খোলা রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেদিন সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করে অফিস কার্যক্রম চালু রাখেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়নি, কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়নি। বরং গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রক্রিয়া চালানো হয় এবং অফিসে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ভুরি ভোজের আয়োজন করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ওয়াসা কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি কবির হোসেন। বক্তব্য রাখেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জিএম গফফার, সহ-সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, দুলাল উদ্দিন খান ও মুকুল হোসেন।
শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সদস্য সচিব মুকুল বলেন,
“রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জানাজা চলছিল, তখন ওয়াসা ভবনে ভুরি ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। এখানে দুর্নীতিবাজদের প্রমোশন দেওয়া হচ্ছে, অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বুধবার একজন সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে হেনস্তা করা হয়েছে।”
সহ-সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম বলেন,
“সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির দিনে নিয়োগ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে অফিস খোলা রেখে শোক কর্মসূচিকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ঝুমুর বালার অপসারণ দাবি করছি।”
এদিকে বিক্ষোভের খবর পেয়ে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালা ও সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা অফিসে আসেননি।
খুলনা ওয়াসার সচিব মাহেরা নাজনীন বলেন,
“বুধবার আমি ছুটিতে ছিলাম। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্যার বর্তমানে ঢাকায় আছেন, তিনি রবিবার অফিসে এলে বিষয়টি জানানো হবে।”
খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তৌহিদুজ্জামান বলেন,
“বেলা ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”
