খুলনার রূপসা নদীতে মেরামতের জন্য নোঙর করে রাখা সুন্দরবনগামী ট্যুরিস্ট জাহাজ ‘এমভি জিলান’ ডুবে গেছে। রবিবার (৫ অক্টোবর) রাত থেকে ধীরে ধীরে পানি ঢুকে জাহাজটি ডুবতে শুরু করে এবং সোমবার দুপুর নাগাদ পুরোপুরি নদীতে তলিয়ে যায়।
ডুবে যাওয়া জাহাজটি খুলনার পর্যটন প্রতিষ্ঠান ‘রেইনবো ট্যুরস’ এর মালিকানাধীন, যা সুন্দরবনে ট্যুর পরিচালনা করে আসছিল।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াব)-এর সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম ডেভিড ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সম্প্রতি তিন দিনের সুন্দরবন ভ্রমণ শেষে ‘এমভি জিলান’ মেরামতের জন্য কাস্টমঘাট সংলগ্ন একটি ডকইয়ার্ডে অবস্থান করছিল। সেখানে এসি ও বাথরুমের কাজ চলছিল। কিন্তু মিস্ত্রিদের অসাবধানতায় বাথরুমের পাইপলাইন খোলা থাকায় পানি ঢুকে পড়ে এবং সেটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।”
রেইনবো ট্যুরসের মালিক হারুনুর রশিদের ছেলে মো. জামিল জানান, “আমাদের নিজস্ব ডকইয়ার্ডে জাহাজটি মেরামতের জন্য রাখা ছিল। গোসলের পানি লোড দেওয়া অবস্থায় একদিকে কাত হয়ে ঢেউয়ের পানিও ঢুকে পড়ে, ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জাহাজটি ডুবে যায়। এতে আমাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তবে উদ্ধারের কাজ চলছে।”
এ বিষয়ে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এ. জেড. এম. হাসানুর রহমান বলেন, “জাহাজ ডুবির ঘটনাটি বনাঞ্চলের বাইরে ঘটেছে। তাই বন বিভাগের তেমন কোনো ভূমিকা নেই, তবে বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৫
খুলনার রূপসা নদীতে মেরামতের জন্য নোঙর করে রাখা সুন্দরবনগামী ট্যুরিস্ট জাহাজ ‘এমভি জিলান’ ডুবে গেছে। রবিবার (৫ অক্টোবর) রাত থেকে ধীরে ধীরে পানি ঢুকে জাহাজটি ডুবতে শুরু করে এবং সোমবার দুপুর নাগাদ পুরোপুরি নদীতে তলিয়ে যায়।
ডুবে যাওয়া জাহাজটি খুলনার পর্যটন প্রতিষ্ঠান ‘রেইনবো ট্যুরস’ এর মালিকানাধীন, যা সুন্দরবনে ট্যুর পরিচালনা করে আসছিল।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াব)-এর সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম ডেভিড ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সম্প্রতি তিন দিনের সুন্দরবন ভ্রমণ শেষে ‘এমভি জিলান’ মেরামতের জন্য কাস্টমঘাট সংলগ্ন একটি ডকইয়ার্ডে অবস্থান করছিল। সেখানে এসি ও বাথরুমের কাজ চলছিল। কিন্তু মিস্ত্রিদের অসাবধানতায় বাথরুমের পাইপলাইন খোলা থাকায় পানি ঢুকে পড়ে এবং সেটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।”
রেইনবো ট্যুরসের মালিক হারুনুর রশিদের ছেলে মো. জামিল জানান, “আমাদের নিজস্ব ডকইয়ার্ডে জাহাজটি মেরামতের জন্য রাখা ছিল। গোসলের পানি লোড দেওয়া অবস্থায় একদিকে কাত হয়ে ঢেউয়ের পানিও ঢুকে পড়ে, ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জাহাজটি ডুবে যায়। এতে আমাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তবে উদ্ধারের কাজ চলছে।”
এ বিষয়ে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এ. জেড. এম. হাসানুর রহমান বলেন, “জাহাজ ডুবির ঘটনাটি বনাঞ্চলের বাইরে ঘটেছে। তাই বন বিভাগের তেমন কোনো ভূমিকা নেই, তবে বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।”
