চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

রাজশাহীর তানোরে মহানগর ক্লিনিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
রাজশাহীর তানোরে মহানগর ক্লিনিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ভুল অপারেশন ও অনুমোদনহীন কার্যক্রমের অভিযোগে মহানগর ক্লিনিককে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে। একইসঙ্গে ক্লিনিকটির সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লিয়াকত সালমান।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউএনও’র নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাঁসদাক এবং থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, স্থানীয় গৃহবধূ রোজিনা খাতুন ভুল অপারেশনের শিকার হন। পরে তিনি জেলা সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লিখিত অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের নজরে আসে ঘটনা।

পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এসময় অনুমোদনবিহীন কার্যক্রম ও কাগজপত্রে অসংগতি প্রমাণিত হলে ক্লিনিককে দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিয়াকত সালমান বলেন, “মানুষের জীবন নিয়ে অবহেলা বা প্রতারণা মেনে নেওয়া হবে না। ভুল চিকিৎসা কিংবা অনুমোদনহীনভাবে ক্লিনিক পরিচালনার দায়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম হলে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।”

স্থানীয়রা ইউএনও’র এই দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


রাজশাহীর তানোরে মহানগর ক্লিনিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ভুল অপারেশন ও অনুমোদনহীন কার্যক্রমের অভিযোগে মহানগর ক্লিনিককে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে। একইসঙ্গে ক্লিনিকটির সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লিয়াকত সালমান।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউএনও’র নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাঁসদাক এবং থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, স্থানীয় গৃহবধূ রোজিনা খাতুন ভুল অপারেশনের শিকার হন। পরে তিনি জেলা সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লিখিত অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের নজরে আসে ঘটনা।

পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এসময় অনুমোদনবিহীন কার্যক্রম ও কাগজপত্রে অসংগতি প্রমাণিত হলে ক্লিনিককে দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিয়াকত সালমান বলেন, “মানুষের জীবন নিয়ে অবহেলা বা প্রতারণা মেনে নেওয়া হবে না। ভুল চিকিৎসা কিংবা অনুমোদনহীনভাবে ক্লিনিক পরিচালনার দায়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম হলে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।”

স্থানীয়রা ইউএনও’র এই দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত