রংপুরে দায়িত্ব পালনকালে একাধিক সংবাদকর্মীর ওপর ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে হামলার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পিতভাবে একটি মব সৃষ্টি করে তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে রংপুর নগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। ওই সময় কয়েকজন সংবাদকর্মী একটি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। হঠাৎ করে ছাত্রশিবির পরিচয়ধারী কয়েকজন ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে তাদের ঘিরে ধরে এবং আক্রমণাত্মক আচরণ শুরু করে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, একপর্যায়ে সংবাদকর্মীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের সহিংসতা এড়ানো সম্ভব হয়।
আক্রান্ত সাংবাদিকরা বলেন, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা দমনের একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা। কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই সংবাদ সংগ্রহের সময় তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য মারাত্মক হুমকি।
ঘটনার পর রংপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনগুলোর নেতারা বলেন, সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সরাসরি আঘাত।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
রংপুরে দায়িত্ব পালনকালে একাধিক সংবাদকর্মীর ওপর ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে হামলার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পিতভাবে একটি মব সৃষ্টি করে তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে রংপুর নগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। ওই সময় কয়েকজন সংবাদকর্মী একটি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। হঠাৎ করে ছাত্রশিবির পরিচয়ধারী কয়েকজন ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে তাদের ঘিরে ধরে এবং আক্রমণাত্মক আচরণ শুরু করে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, একপর্যায়ে সংবাদকর্মীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের সহিংসতা এড়ানো সম্ভব হয়।
আক্রান্ত সাংবাদিকরা বলেন, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা দমনের একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা। কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই সংবাদ সংগ্রহের সময় তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য মারাত্মক হুমকি।
ঘটনার পর রংপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনগুলোর নেতারা বলেন, সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সরাসরি আঘাত।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
