হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের আহম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন তাহেরীকে ‘বাটপার’ বলে মন্তব্য করেছেন, এমন অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনে শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। এ কারণে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মন্তব্য নির্বাচনকালে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।
এলাকাবাসীর দাবি, একজন শিক্ষক ও সম্ভাব্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন রাজনৈতিক মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। এতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে জনমনে অনাস্থা সৃষ্টি হতে পারে। তারা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত বা সম্ভাব্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। এ ধরনের মন্তব্য আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
“প্রার্থীর পক্ষ থেকে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ রাখতে নির্বাচন কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে, এমন প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের আহম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন তাহেরীকে ‘বাটপার’ বলে মন্তব্য করেছেন, এমন অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনে শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। এ কারণে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মন্তব্য নির্বাচনকালে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।
এলাকাবাসীর দাবি, একজন শিক্ষক ও সম্ভাব্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন রাজনৈতিক মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। এতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে জনমনে অনাস্থা সৃষ্টি হতে পারে। তারা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত বা সম্ভাব্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। এ ধরনের মন্তব্য আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
“প্রার্থীর পক্ষ থেকে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ রাখতে নির্বাচন কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে, এমন প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।
