গৃহবধূ মানসুরা আক্তারের ওপর নৃশংস হামলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে অংশ নেওয়া হাজারো মানুষ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মানসুরা আক্তারের ওপর যে বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে, তা সমাজের জন্য লজ্জাজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি। দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মানসুরাকে হত্যার পর স্বামীসহ তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার এই প্রচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে একটি নিরাপদ সমাজ গড়তে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
মানসুরার পরিবার ও ভাটি সুন্দরপুর (বরতল) এলাকাবাসীর আয়োজনে কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গ্যাসফিল্ড এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি হরিতলা এলাকার বাদশা কোম্পানির গেট এলাকা ঘুরে পুনরায় গ্যাসফিল্ড এলাকায় এসে শেষ হয়। পরে গ্যাসফিল্ড বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দীর্ঘ সময় মানববন্ধন চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
খবর পেয়ে মাধবপুর শাহজিবাজার সেনাবাহিনী ক্যাম্পের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মানববন্ধনকারীদের দাবির বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেয় এবং মহাসড়কের যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
এ সময় মাধবপুর-চুনারুঘাট সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) এ কে এম সালিমুল হক, মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাবুব মোর্শেদ খান, ওসি (তদন্ত) মো. গোলাম মোস্তফাসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তারা মানববন্ধনকারীদের জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং যেকোনো অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর মানসুরার মরদেহ তার স্বামীর নিজ ঘর থেকে উদ্ধার করে মাধবপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত মানসুরার স্বামী মো. আলামিন (এনু মিয়ার ছেলে), ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা। নিহত মানসুরা আক্তার বাঘাসুরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ভাটি সুন্দর (বরতল) গ্রামের মো. জহিরুল ইসলামের মেয়ে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
গৃহবধূ মানসুরা আক্তারের ওপর নৃশংস হামলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে অংশ নেওয়া হাজারো মানুষ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মানসুরা আক্তারের ওপর যে বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে, তা সমাজের জন্য লজ্জাজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি। দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মানসুরাকে হত্যার পর স্বামীসহ তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার এই প্রচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে একটি নিরাপদ সমাজ গড়তে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
মানসুরার পরিবার ও ভাটি সুন্দরপুর (বরতল) এলাকাবাসীর আয়োজনে কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গ্যাসফিল্ড এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি হরিতলা এলাকার বাদশা কোম্পানির গেট এলাকা ঘুরে পুনরায় গ্যাসফিল্ড এলাকায় এসে শেষ হয়। পরে গ্যাসফিল্ড বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দীর্ঘ সময় মানববন্ধন চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
খবর পেয়ে মাধবপুর শাহজিবাজার সেনাবাহিনী ক্যাম্পের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মানববন্ধনকারীদের দাবির বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেয় এবং মহাসড়কের যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
এ সময় মাধবপুর-চুনারুঘাট সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) এ কে এম সালিমুল হক, মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাবুব মোর্শেদ খান, ওসি (তদন্ত) মো. গোলাম মোস্তফাসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তারা মানববন্ধনকারীদের জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং যেকোনো অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর মানসুরার মরদেহ তার স্বামীর নিজ ঘর থেকে উদ্ধার করে মাধবপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত মানসুরার স্বামী মো. আলামিন (এনু মিয়ার ছেলে), ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা। নিহত মানসুরা আক্তার বাঘাসুরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ভাটি সুন্দর (বরতল) গ্রামের মো. জহিরুল ইসলামের মেয়ে।
