চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

প্রচণ্ড শীতে অসহায় রাজশাহীর ছিন্নমূল মানুষ

প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
প্রচণ্ড শীতে অসহায় রাজশাহীর ছিন্নমূল মানুষ

প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজশাহী ও আশপাশের এলাকার জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে রাজশাহীতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসায় শীতের অনুভূতিও ক্রমেই বাড়ছে।

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে রাজশাহীর সড়কগুলোতে যানবাহন ধীরগতিতে চলতে দেখা গেছে। অনেক যানবাহন ফগ লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষদের। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ কুয়াশা ও শীত উপেক্ষা করেই ভোরবেলা কাজে বের হতে বাধ্য হচ্ছেন।

অটোরিকশাচালক মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন,
“এই শীতে কাজ করা খুব কষ্টের। ঠান্ডায় বের হওয়াই যন্ত্রণার। গত দুই-তিন দিন রোদের দেখা নাই, তবুও রোজগারের জন্য বাইরে বের হতে হচ্ছে।”

তালাইমারী মোড়ের চা দোকানি রফিকুল ইসলাম বলেন,
“আগের দিনের তুলনায় শীত আরও বেড়েছে। সকালে রাস্তায় মানুষ কম ছিল, এখন ধীরে ধীরে বের হচ্ছে। এই ঠান্ডায় বাইরে কাজ করা খুব কঠিন।”

রাজশাহী রেলস্টেশন এলাকায় দেখা গেছে, ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের করুণ চিত্র। অনেকে পলিথিন ও সারের বস্তা গায়ে জড়িয়ে খোলা আকাশের নিচে শুয়ে আছে। কেউ কেউ হালকা আগুন জ্বালিয়ে শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচার চেষ্টা করছে। এসব মানুষ মূলত রেলস্টেশন এলাকাতেই অবস্থান করে এবং সারাদিন রাজশাহী শহরের বিভিন্ন এলাকায় সাহায্য সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করে।

এই পরিস্থিতিতে সমাজের বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষের প্রতি শীতার্ত অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


প্রচণ্ড শীতে অসহায় রাজশাহীর ছিন্নমূল মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজশাহী ও আশপাশের এলাকার জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে রাজশাহীতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসায় শীতের অনুভূতিও ক্রমেই বাড়ছে।

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে রাজশাহীর সড়কগুলোতে যানবাহন ধীরগতিতে চলতে দেখা গেছে। অনেক যানবাহন ফগ লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষদের। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ কুয়াশা ও শীত উপেক্ষা করেই ভোরবেলা কাজে বের হতে বাধ্য হচ্ছেন।

অটোরিকশাচালক মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন,
“এই শীতে কাজ করা খুব কষ্টের। ঠান্ডায় বের হওয়াই যন্ত্রণার। গত দুই-তিন দিন রোদের দেখা নাই, তবুও রোজগারের জন্য বাইরে বের হতে হচ্ছে।”

তালাইমারী মোড়ের চা দোকানি রফিকুল ইসলাম বলেন,
“আগের দিনের তুলনায় শীত আরও বেড়েছে। সকালে রাস্তায় মানুষ কম ছিল, এখন ধীরে ধীরে বের হচ্ছে। এই ঠান্ডায় বাইরে কাজ করা খুব কঠিন।”

রাজশাহী রেলস্টেশন এলাকায় দেখা গেছে, ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের করুণ চিত্র। অনেকে পলিথিন ও সারের বস্তা গায়ে জড়িয়ে খোলা আকাশের নিচে শুয়ে আছে। কেউ কেউ হালকা আগুন জ্বালিয়ে শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচার চেষ্টা করছে। এসব মানুষ মূলত রেলস্টেশন এলাকাতেই অবস্থান করে এবং সারাদিন রাজশাহী শহরের বিভিন্ন এলাকায় সাহায্য সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করে।

এই পরিস্থিতিতে সমাজের বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষের প্রতি শীতার্ত অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত