বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আর্কাইভ

‘ডিসি বারী’ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‎প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় জয়পুরহাটে উচ্ছ্বাস

প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
‘ডিসি বারী’ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‎প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় জয়পুরহাটে উচ্ছ্বাস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আর সেই সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন জয়পুরহাট-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল বারী। তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথে জয়পুরহাট শহর ও তাঁর নির্বাচনী এলাকা আক্কেলপুর-কালাই-ক্ষেতলাল—এই তিন উপজেলার লোকজন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। বিএনপির নেতা-কর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অভিনন্দনবার্তা দিচ্ছেন। শপথ গ্রহণের পর আজ বিকেল সাড়ে পাঁচটায় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমার দায়িত্ব পালন করব।’ ‎জয়পুরহাট-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে আব্দুল বারী ৬৫ হাজার ৫৪৮ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হন। তিনি সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব। এলাকায় তিনি ‘ডিসি বারী স্যার’ নামেই বেশি পরিচিত। মাঠপর্যায়ে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা তাঁকে নির্বাচনে এগিয়ে রাখে। বিএনপির একাধিক নেতা ও সাধারণ ভোটারও আশা প্রকাশ করে বলেন, জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়নে আব্দুল বারী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তিনি মাঠ প্রশাসনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সেবার মান বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর জয়পুরহাটবাসীর আশা পূরণ হয়েছে। সরকারের সাবেক সচিব ও জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল বারীর প্রশাসনিক দক্ষতা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নতুন গতি আনবে। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর হাত ধরেই জেলার উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হবে।’ কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন বলেন, ‘আব্দুল বারী সাহেব প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। আমাদের কালাই উপজেলায় তাঁর জন্মস্থান। এ কারণে আমাদের একটু আলাদা অনুভূতি রয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, কালাই ও ক্ষেতলাল) আসনে কোনো মন্ত্রী পাইনি। এ কারণে এই আসনের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। এই আসন থেকে আব্দুল বারী সাহেব প্রথম মন্ত্রিত্ব পেলেন। তাঁর হাত ধরে এই আসনের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করছি।’ নির্বাচনের হলফনামা অনুযায়ী, আব্দুল বারীর ২৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ এবং ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ আছে। তাঁর মোট বার্ষিক আয় ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৭ টাকা।

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


‘ডিসি বারী’ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‎প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় জয়পুরহাটে উচ্ছ্বাস

প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আর সেই সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন জয়পুরহাট-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল বারী। তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথে জয়পুরহাট শহর ও তাঁর নির্বাচনী এলাকা আক্কেলপুর-কালাই-ক্ষেতলাল—এই তিন উপজেলার লোকজন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। বিএনপির নেতা-কর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অভিনন্দনবার্তা দিচ্ছেন। শপথ গ্রহণের পর আজ বিকেল সাড়ে পাঁচটায় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমার দায়িত্ব পালন করব।’ ‎জয়পুরহাট-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে আব্দুল বারী ৬৫ হাজার ৫৪৮ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হন। তিনি সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব। এলাকায় তিনি ‘ডিসি বারী স্যার’ নামেই বেশি পরিচিত। মাঠপর্যায়ে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা তাঁকে নির্বাচনে এগিয়ে রাখে। বিএনপির একাধিক নেতা ও সাধারণ ভোটারও আশা প্রকাশ করে বলেন, জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়নে আব্দুল বারী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তিনি মাঠ প্রশাসনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সেবার মান বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর জয়পুরহাটবাসীর আশা পূরণ হয়েছে। সরকারের সাবেক সচিব ও জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল বারীর প্রশাসনিক দক্ষতা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নতুন গতি আনবে। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর হাত ধরেই জেলার উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হবে।’ কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন বলেন, ‘আব্দুল বারী সাহেব প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। আমাদের কালাই উপজেলায় তাঁর জন্মস্থান। এ কারণে আমাদের একটু আলাদা অনুভূতি রয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, কালাই ও ক্ষেতলাল) আসনে কোনো মন্ত্রী পাইনি। এ কারণে এই আসনের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। এই আসন থেকে আব্দুল বারী সাহেব প্রথম মন্ত্রিত্ব পেলেন। তাঁর হাত ধরে এই আসনের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করছি।’ নির্বাচনের হলফনামা অনুযায়ী, আব্দুল বারীর ২৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ এবং ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ আছে। তাঁর মোট বার্ষিক আয় ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৭ টাকা।

চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত