খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ ব্যাচের তিন দিনব্যাপী শিক্ষা সমাপনী দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটরা দেশ ও বিদেশে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। নানা চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয় আজ যে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে, তার পেছনে শিক্ষার্থীদের অবদান অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষা জীবন শেষ হলেও অ্যালামনাই হিসেবে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীরা অগ্রজদের মতো কর্মজীবনে সাফল্য অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুনুর রশীদ খান। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে শিক্ষাক্রম সম্পন্ন করতে পারা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যার কৃতিত্ব শিক্ষার্থীদের। যারা আজ সমাপনী করছে, তারা আগামীতে বিশ্ব দরবারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ও পরিচিতি আরও উঁচুতে তুলে ধরবে। পাশাপাশি তারা দেশের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবর রহমান ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. নাজমুস সাদাত। পরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।
অনুষ্ঠানটি আয়োজক কমিটির সভাপতি মোঃ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইলেকট্রনিক্স এ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী শরিফ নাঈম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাদিয়া জামান, আরশি সীমান্ত ও সাহা রাহুল।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ ব্যাচের তিন দিনব্যাপী শিক্ষা সমাপনী দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটরা দেশ ও বিদেশে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। নানা চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয় আজ যে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে, তার পেছনে শিক্ষার্থীদের অবদান অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষা জীবন শেষ হলেও অ্যালামনাই হিসেবে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীরা অগ্রজদের মতো কর্মজীবনে সাফল্য অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুনুর রশীদ খান। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে শিক্ষাক্রম সম্পন্ন করতে পারা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যার কৃতিত্ব শিক্ষার্থীদের। যারা আজ সমাপনী করছে, তারা আগামীতে বিশ্ব দরবারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ও পরিচিতি আরও উঁচুতে তুলে ধরবে। পাশাপাশি তারা দেশের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবর রহমান ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. নাজমুস সাদাত। পরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।
অনুষ্ঠানটি আয়োজক কমিটির সভাপতি মোঃ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইলেকট্রনিক্স এ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী শরিফ নাঈম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাদিয়া জামান, আরশি সীমান্ত ও সাহা রাহুল।
