চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল কান্ডে নড়েচড়ে বিএনপি, পাঁচ নেতার কপাল পুড়ছে

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল কান্ডে নড়েচড়ে বিএনপি, পাঁচ নেতার কপাল পুড়ছে
খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে মব তৈরি করে ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে দেওয়া এবং বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসক সংগঠন ডক্টরস অ্যাসেসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ড্যাব) খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ রফিকুল হক বাবলুকে হেনস্তার ঘটনায় খানজাহানআলী থানার পাঁচ বিএনপি নেতার কপাল পুড়ছে। ইতিমধ্যে তাদেরকে শোকজ করেছে খুলনা মহানগর বিএনপি। গত ১৯ এপ্রিল মহানগর বিএনপি সভাপতি শফিকুল আলম মনা সাক্ষরিত শোকজের চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়। বিএনপি একটি সুত্র দাবি করেছে সৃষ্ট ঘটনায় বিব্রত খুলনা মহানগর বিএনপি সেক্ষেত্রে শাস্তির আওতায় আসতে পারে ঔই ৫ জন নেতা। শোকজ প্রাপ্তরা হলেন- খানজাহানআলী থানা বিএনপি সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাবেক সভাপতি মীর কায়সেদ আলী, থানা বিএনপির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেন ও মহানগর বিএনপি সাবেক সহ- সভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন। ৫ জনকে দেওয়া পৃথক চিঠিতে বলা হয়েছে, খুলনা মহানগর বিএনপি থেকে সতর্ক করা সত্বেও আপনার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার প্রাপ্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ( ১৩ এপ্রিল বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের উদ্ভুত ঘটনা) আপনার বক্তব্যে আজ ২২ এপ্রিল রাত ৮ টার মনিটরিং সেলের সামনে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ প্রদান করা হলো। জানাগেছে, ১৩ খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল পরিদর্শনে যান খুলনা - ৫ আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপি সাবেক আহবায়ক আলী আজগর লবী। এসময় তার সঙ্গে আসা বিএনপি নেতারা ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ড্যাব) খুলনা জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি ডা: রফিকুল হক বাবলুকে ফ্যাসিস্টের দোসর সহ বিভিন্ন গালাগাল করেন এবং শারীরিকভাবে আঘাত করতে তার দিকে তেড়ে যান। ঔই সময় তাকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া হয়। তখন সংসদ সদস্য ট্রাস্টি বোর্ডের কমিটি ভেঙে দিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা দেন। এঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ১৮ এপ্রিল মানববন্ধন করে খুলনার চিকিৎসকরা। মানববন্ধনে চিকিৎসক নেতারা তিন দফা দাবি জানান। এর মধ্যে রয়েছে, খুলনা - ৫ আসনের সংসদ সদস্যের সামনে মব সৃষ্টিকারী ও ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতিকে অপদস্তকারী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ, ডা: বাবলুকে অবিলম্বে বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে পুর্নবহাল এবং হাসপাতালের ট্রাস্টি বোর্ডের কার্যক্রমে ভবিষ্যতে অযাচিত হস্তক্ষেপ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা। মানববন্ধনে বলা হয় আগামী ২১ এপ্রিলের মধ্যে দাবি পুরন না হলে খুলনার সকল চিকিৎসক একযোগে জরুরি চিকিৎসা ব্যাতিত কর্মবরতি পালনের ঘোষণা দেন চিকিৎসক নেতারা। এই ঘোষণার পরেই বিএনপির পাঁচ নেতাকে শোকজ দেওয়া হলো। এদিকে আজ ২২ এপ্রিল রাত ৮ টায় মনিটরিং সেলের সামনে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। মহানগর বিএনপির আজকের নেওয়া সিদ্ধান্তের পর পরবর্তী করনীয় কি হবে সেটার দিকে তাকিয়ে আছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ড্যাব) এর খুলনা নেতৃবৃন্দ।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল কান্ডে নড়েচড়ে বিএনপি, পাঁচ নেতার কপাল পুড়ছে

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে মব তৈরি করে ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে দেওয়া এবং বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসক সংগঠন ডক্টরস অ্যাসেসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ড্যাব) খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ রফিকুল হক বাবলুকে হেনস্তার ঘটনায় খানজাহানআলী থানার পাঁচ বিএনপি নেতার কপাল পুড়ছে। ইতিমধ্যে তাদেরকে শোকজ করেছে খুলনা মহানগর বিএনপি। গত ১৯ এপ্রিল মহানগর বিএনপি সভাপতি শফিকুল আলম মনা সাক্ষরিত শোকজের চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়। বিএনপি একটি সুত্র দাবি করেছে সৃষ্ট ঘটনায় বিব্রত খুলনা মহানগর বিএনপি সেক্ষেত্রে শাস্তির আওতায় আসতে পারে ঔই ৫ জন নেতা। শোকজ প্রাপ্তরা হলেন- খানজাহানআলী থানা বিএনপি সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাবেক সভাপতি মীর কায়সেদ আলী, থানা বিএনপির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেন ও মহানগর বিএনপি সাবেক সহ- সভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন। ৫ জনকে দেওয়া পৃথক চিঠিতে বলা হয়েছে, খুলনা মহানগর বিএনপি থেকে সতর্ক করা সত্বেও আপনার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার প্রাপ্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ( ১৩ এপ্রিল বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের উদ্ভুত ঘটনা) আপনার বক্তব্যে আজ ২২ এপ্রিল রাত ৮ টার মনিটরিং সেলের সামনে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ প্রদান করা হলো। জানাগেছে, ১৩ খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল পরিদর্শনে যান খুলনা - ৫ আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপি সাবেক আহবায়ক আলী আজগর লবী। এসময় তার সঙ্গে আসা বিএনপি নেতারা ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ড্যাব) খুলনা জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি ডা: রফিকুল হক বাবলুকে ফ্যাসিস্টের দোসর সহ বিভিন্ন গালাগাল করেন এবং শারীরিকভাবে আঘাত করতে তার দিকে তেড়ে যান। ঔই সময় তাকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া হয়। তখন সংসদ সদস্য ট্রাস্টি বোর্ডের কমিটি ভেঙে দিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা দেন। এঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ১৮ এপ্রিল মানববন্ধন করে খুলনার চিকিৎসকরা। মানববন্ধনে চিকিৎসক নেতারা তিন দফা দাবি জানান। এর মধ্যে রয়েছে, খুলনা - ৫ আসনের সংসদ সদস্যের সামনে মব সৃষ্টিকারী ও ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতিকে অপদস্তকারী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ, ডা: বাবলুকে অবিলম্বে বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে পুর্নবহাল এবং হাসপাতালের ট্রাস্টি বোর্ডের কার্যক্রমে ভবিষ্যতে অযাচিত হস্তক্ষেপ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা। মানববন্ধনে বলা হয় আগামী ২১ এপ্রিলের মধ্যে দাবি পুরন না হলে খুলনার সকল চিকিৎসক একযোগে জরুরি চিকিৎসা ব্যাতিত কর্মবরতি পালনের ঘোষণা দেন চিকিৎসক নেতারা। এই ঘোষণার পরেই বিএনপির পাঁচ নেতাকে শোকজ দেওয়া হলো। এদিকে আজ ২২ এপ্রিল রাত ৮ টায় মনিটরিং সেলের সামনে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। মহানগর বিএনপির আজকের নেওয়া সিদ্ধান্তের পর পরবর্তী করনীয় কি হবে সেটার দিকে তাকিয়ে আছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ড্যাব) এর খুলনা নেতৃবৃন্দ।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত