৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় পার হলেও মিজানুর রহমান মিজান-এর জামাই ব্যবসায়ী কাজী নিজাম উদ্দিন সুজনের সন্ধান মেলাতে পারেনি পুলিশ। তিনি খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।
নিখোঁজ সুজনের বাবা কাজী আব্দুস সোবহান ছেলের সন্ধান চেয়ে গত রবিবার খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে নগরীর টাউন জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করতে বাড়ি থেকে বের হন সুজন। নামাজ শেষে তিনি কাস্টমঘাট এলাকার দিকে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও কাজ করছে বলে জানা গেছে।
সুজনের পিতা কাজী আব্দুস সোবহান বলেন, “নামাজ শেষে সে কাস্টমঘাটের দিকে যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান নেই। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েছি। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও অনুসন্ধান চালাচ্ছে। আমার ছেলে আমার ব্যবসা দেখাশোনা করত। তার কোনো শত্রু নেই।”
তিনি আরও জানান, ছেলের সন্ধান চেয়ে রবিবার সকালে খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, এখনো পর্যন্ত সুজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ঘটনার দিন আশপাশের বিভিন্ন বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা গেছে, নামাজ আদায় শেষে তিনি কাস্টমঘাটের দিকে যান। এরপর তিনি নিখোঁজ হন।
ওসি জানান, তার সন্ধানে বিভিন্ন থানায় তথ্য পাঠানো হয়েছে এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় পার হলেও মিজানুর রহমান মিজান-এর জামাই ব্যবসায়ী কাজী নিজাম উদ্দিন সুজনের সন্ধান মেলাতে পারেনি পুলিশ। তিনি খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।
নিখোঁজ সুজনের বাবা কাজী আব্দুস সোবহান ছেলের সন্ধান চেয়ে গত রবিবার খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে নগরীর টাউন জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করতে বাড়ি থেকে বের হন সুজন। নামাজ শেষে তিনি কাস্টমঘাট এলাকার দিকে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও কাজ করছে বলে জানা গেছে।
সুজনের পিতা কাজী আব্দুস সোবহান বলেন, “নামাজ শেষে সে কাস্টমঘাটের দিকে যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান নেই। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েছি। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও অনুসন্ধান চালাচ্ছে। আমার ছেলে আমার ব্যবসা দেখাশোনা করত। তার কোনো শত্রু নেই।”
তিনি আরও জানান, ছেলের সন্ধান চেয়ে রবিবার সকালে খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, এখনো পর্যন্ত সুজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ঘটনার দিন আশপাশের বিভিন্ন বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা গেছে, নামাজ আদায় শেষে তিনি কাস্টমঘাটের দিকে যান। এরপর তিনি নিখোঁজ হন।
ওসি জানান, তার সন্ধানে বিভিন্ন থানায় তথ্য পাঠানো হয়েছে এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
