আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে খুলনায় যৌথবাহিনীর টহল শুরু হয়েছে। বিকাল থেকে শহীদ হাদিস পার্ক এলাকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টহল কার্যক্রম শুরু করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে গঠিত এই যৌথবাহিনী।
খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাস সাংবাদিকদের জানান, ভোটগ্রহণের আগে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য এই দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “যৌথ টহলের সঙ্গে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সমস্যা বা বেআইনি কার্যকলাপের তথ্য পাওয়া গেলে সেখানে সরাসরি অভিযান চালানো হবে।”
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, যৌথবাহিনী শুধুমাত্র খুলনা মহানগরে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জেলার প্রতিটি উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম চলবে। এছাড়া, জনসাধারণের অভিযোগ গ্রহণের জন্য খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মোবাইল নম্বর এবং একটি অভিযোগ বক্স রাখা হয়েছে।
এই উদ্যোগ নির্বাচনী পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং যেকোনো নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে খুলনায় যৌথবাহিনীর টহল শুরু হয়েছে। বিকাল থেকে শহীদ হাদিস পার্ক এলাকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টহল কার্যক্রম শুরু করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে গঠিত এই যৌথবাহিনী।
খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাস সাংবাদিকদের জানান, ভোটগ্রহণের আগে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য এই দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “যৌথ টহলের সঙ্গে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সমস্যা বা বেআইনি কার্যকলাপের তথ্য পাওয়া গেলে সেখানে সরাসরি অভিযান চালানো হবে।”
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, যৌথবাহিনী শুধুমাত্র খুলনা মহানগরে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জেলার প্রতিটি উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম চলবে। এছাড়া, জনসাধারণের অভিযোগ গ্রহণের জন্য খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মোবাইল নম্বর এবং একটি অভিযোগ বক্স রাখা হয়েছে।
এই উদ্যোগ নির্বাচনী পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং যেকোনো নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
