ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিনই প্রথম পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একটি কার্যালয়ের তালা খোলেন। এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরে আবু দাউদ প্রধান দাবি করেন, সেটি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় নয়, বরং একটি গুদামঘর।
তিনি আরও বলেন, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে।
সোমবার দুপুরের পর বরগুনার বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সেখানে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড লাগানো হয়। তবে রাতে কার্যালয়টি আবার ভাঙচুর করা হয়।
সোমবার বিকেলে খুলনা মহানগরীর শঙ্খ মার্কেটে আওয়ামী লীগ অফিস খুলে প্রবেশ করেন নেতাকর্মীরা। কিছুক্ষণ অবস্থান করে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবিতে মালা দেন এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে আবার তালা লাগিয়ে চলে যান।
মঙ্গলবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত অফিস চালু করা হয়। আগাছায় ভরা ও ভাঙাচোরা অফিস পরিদর্শন শেষে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম. এ. মনজুর তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আজ সকাল থেকে আওয়ামী লীগের অফিস পরিষ্কারের কাজ শেষ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।’
বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের তালা ভেঙে ব্যানার ঝুলিয়ে দেয় ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা। কিছুক্ষণ পর ব্যানার সরিয়ে নেয়া হয়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে সুধারাম থানা পুলিশ।
একই দিন বরগুনা জেলা কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম।
কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়েও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ব্যানার টানানোর ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মাসুদ রানা জানান, পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিনই প্রথম পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একটি কার্যালয়ের তালা খোলেন। এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরে আবু দাউদ প্রধান দাবি করেন, সেটি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় নয়, বরং একটি গুদামঘর।
তিনি আরও বলেন, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে।
সোমবার দুপুরের পর বরগুনার বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সেখানে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড লাগানো হয়। তবে রাতে কার্যালয়টি আবার ভাঙচুর করা হয়।
সোমবার বিকেলে খুলনা মহানগরীর শঙ্খ মার্কেটে আওয়ামী লীগ অফিস খুলে প্রবেশ করেন নেতাকর্মীরা। কিছুক্ষণ অবস্থান করে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবিতে মালা দেন এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে আবার তালা লাগিয়ে চলে যান।
মঙ্গলবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত অফিস চালু করা হয়। আগাছায় ভরা ও ভাঙাচোরা অফিস পরিদর্শন শেষে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম. এ. মনজুর তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আজ সকাল থেকে আওয়ামী লীগের অফিস পরিষ্কারের কাজ শেষ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।’
বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের তালা ভেঙে ব্যানার ঝুলিয়ে দেয় ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা। কিছুক্ষণ পর ব্যানার সরিয়ে নেয়া হয়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে সুধারাম থানা পুলিশ।
একই দিন বরগুনা জেলা কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম।
কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়েও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ব্যানার টানানোর ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মাসুদ রানা জানান, পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
