দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বনড়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপেশ চন্দ্র রায় (গোপেশ চন্দ্র রায় কাকা) আর নেই।
দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে সোমবার (২৬ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কর্মরত চিকিৎসকরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য গুণগ্রাহী, শুভানুধ্যায়ী, শিক্ষার্থী ও সহকর্মী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে কাহারোল উপজেলাসহ দিনাজপুর জেলার শিক্ষা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপেশ চন্দ্র রায় শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমে আজীবন অটল ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। সৃষ্টিকর্তা যেন তাঁদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করেন এই প্রার্থনা রইল।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বনড়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপেশ চন্দ্র রায় (গোপেশ চন্দ্র রায় কাকা) আর নেই।
দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে সোমবার (২৬ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কর্মরত চিকিৎসকরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য গুণগ্রাহী, শুভানুধ্যায়ী, শিক্ষার্থী ও সহকর্মী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে কাহারোল উপজেলাসহ দিনাজপুর জেলার শিক্ষা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপেশ চন্দ্র রায় শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমে আজীবন অটল ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। সৃষ্টিকর্তা যেন তাঁদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করেন এই প্রার্থনা রইল।
