“বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ছিল একটি ঐতিহাসিক জানাজা”-এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপার্সন ও আপসহীন আন্দোলনের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে মোক্তারপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবাদুল্লাহ শেখ দুলালের সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে একেএম ফজলুল হক মিলন বলেন, একজন গৃহবধু থেকে আপোষহীন আন্দোলনের নেত্রী হয়ে ওঠা বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়। তিনি শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের প্রতীক। পৃথিবীতে হাতে গোনা কয়েকজন নেতার জানাজায় বিপুল মানুষের ঢল নেমেছে, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাও ছিল তেমনই একটি ঐতিহাসিক জানাজা। এমনকি তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জানাজার চেয়েও তা ছিল বৃহৎ। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে বিরল সম্মান দান করেছেন এবং গোটা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে, যাতে সবাই মিলেমিশে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।
পবিত্র মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আপোষহীন আন্দোলনের নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং মরহুম আরাফাত রহমান কোকো’র বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের মুক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে মোক্তারপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
“বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ছিল একটি ঐতিহাসিক জানাজা”-এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপার্সন ও আপসহীন আন্দোলনের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে মোক্তারপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবাদুল্লাহ শেখ দুলালের সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে একেএম ফজলুল হক মিলন বলেন, একজন গৃহবধু থেকে আপোষহীন আন্দোলনের নেত্রী হয়ে ওঠা বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়। তিনি শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের প্রতীক। পৃথিবীতে হাতে গোনা কয়েকজন নেতার জানাজায় বিপুল মানুষের ঢল নেমেছে, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাও ছিল তেমনই একটি ঐতিহাসিক জানাজা। এমনকি তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জানাজার চেয়েও তা ছিল বৃহৎ। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে বিরল সম্মান দান করেছেন এবং গোটা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে, যাতে সবাই মিলেমিশে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।
পবিত্র মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আপোষহীন আন্দোলনের নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং মরহুম আরাফাত রহমান কোকো’র বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের মুক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে মোক্তারপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
